ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় গুলশান একের মোড়ে অবস্থিত ‘গুলশান শপিং সেন্টার’ ভবনটি সিলগালা করে দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। এর প্রতিবাদে গুলশান গোলচত্বরের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মচারীরা। এর ফলে গুলশান, মহাখালী, হাতিরঝিল ও বাড্ডা এলাকায় দেখা দেয় তীব্র যানজট।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হওয়ায় মার্কেটটি সিলগালা করেন। এর পরপরই রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন ব্যবসায়ীরা।
বেলা সাড়ে তিনটার দিকে অবরোধকারীদের সরাতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন তারা। সেইসাথে কিছু গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।
ব্যবসায়ীদের দাবি, সময় না দিয়ে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এভাবে মার্কেট বন্ধ করায় তারা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তাই পুনর্বাসনের দাবি জানান তারা।

তবে ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, যথেষ্ট সময় পেয়েছেন দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। অতিঝুঁকি বিবেচনায় ভবনটি সিলগালা করা হয়েছে।
এদিকে সিটি কর্পোরেশন জানায়, বেশ কয়েকবার আগুন লেগেছে এই মার্কেটে। ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং বারবার সময় দেয়া হলেও ভবন ছাড়ার বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেননি ব্যবসায়ীরা।
গুলশানের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শহিদুল্লাহ বলেন, কোনো দাবি থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে ব্যবসায়ীরা তা আলোচনা করতে পারে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দখল করে মানুষের ভোগান্তি করায় তাদেরকে ধাওয়া দিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনের আগে সহিংসতা দেখতে চায় না: কামাল
তিনি জানান, নিরাপত্তার জন্য এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। সাড়ে তিন ঘণ্টা পর বেলা পৌনে চারটার দিকে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
একাত্তর/এসি/এসজে
