দীর্ঘ প্রায় ৫ মাস পর জাতীয় চিড়িয়াখানা খোলার পর ঢল নেমেছে দর্শনার্থীদের। রাজধানীসহ দেশের নানা প্রান্ত থেকে শিশুদের নিয়ে চিড়িয়াখাড়ায় ভিড় করছেন অভিভাবকরা।
চিড়িয়াখানা খোলার পর মিশুদের আনন্দের শেষ নেই। খাঁচায় বন্দি বন্যপ্রাণীদের দেখে ঘর-বন্দি শিশুদের এই আনন্দ এখন জাতীয় চিড়িয়াখানায়।
দ্বিতীয় দিনেও দর্শনার্থীদের ঢল নামে চিড়িয়াখানায়। শুধু রাজধানীর নয়; শিশুদের নিয়ে দেশের নানা প্রান্ত থেকে চিড়িয়াখানায় এসেছেন অভিভাবকরাও।ছিলেন বিদেশি দর্শনার্থীরাও। তবে সব চেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে হরিণ, বানর, বাঘ, সিংহ আর ময়ূরের খাঁচার সামনে।
টানা বন্ধের মধ্যে ১৩০টি ময়ূর, ৮০টি বক, ৭০টি হরিণ, ২৩টি ইমু ও দু’টি বাঘ শাবকসহ মোট ৩৫০ টি প্রাণী জন্ম নিয়েছে চিড়িয়াখানায়।
এদিকে, চিড়িয়াখানায় ১৩টি স্থানে সাবান ও পানির ট্যাংক রাখার পাশাপাশি পরিবর্তন আনা হয়েছে অবকাঠামোয়। সেইসাথে ৩০ টাকার প্রবেশ মূল্য এখন ৫০ টাকা। তবে নো মাস্ক, নো এন্ট্রির নির্দেশনা থাকলেও অনেকেই চিড়িয়াখানায় ঘুরছেন মাস্ক ছাড়াই।
রোববার ছাড়া সপ্তাহে ৬ দিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে চিড়িয়াখানা। তবে মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষে প্রতিমাসের প্রথম রোববারও খোলা থাকবে চিড়িয়াখানা।
একাত্তর/ এনএ
