বিশ্বব্যাপী ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে ব্যবহৃত স্মার্টফোনের বাজার। ২০২৩ সালে এমন ফোনের শিপমেন্ট ৩০ কোটি ৯৪ লাখ ইউনিটে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ডাটা কর্পোরেশন বা আইডিসি।
ধারণা করা হচ্ছে ২০২৭ সালে ব্যবহৃত স্মার্টফোনের বাজার ৮ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়বে। সে সময় ব্যবহৃত স্মার্টফোনের বাজার ১০ হাজার ৯৭০ কোটি ডলারে উন্নীত হবে।
অনেক কারণেই একাধিক স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন কেউ কেউ। আইডিসির প্রতিবেদন বলছে, ২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত স্মার্টফোনের শিপমেন্ট ২০২২ সালের তুলনায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।
সংস্থাটির পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, ২০২৭ সালে ব্যবহৃত স্মার্টফোনের সংখ্যা হবে ৪৩ কোটি ১১ লাখ ইউনিট।
এদিকে রিফ্রেশ রেট (ডিসপ্লেতে এক সেকেন্ডে যত স্বচ্ছভাবে ইমেজ পরিবর্তন হয়), উচ্চমূল্য এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নতুন স্মার্টফোনের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ফলে ব্যবহৃত স্মার্টফোনের সরবরাহও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।
আইডিসি জানিয়েছে, ব্যবহৃত স্মার্টফোনের চাহিদা ভালো থাকবে এবং পূর্বাভাসের পুরো সময়জুড়ে বাড়তে থাকবে। তবে বাড়ার গতি আগের পূর্বাভাসের তুলনায় কিছুটা মন্থর হবে।
আইডিসির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চাহিদা, মূল্যস্ফীতি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে থাকায় ২০২৩ সালে নতুন স্মার্টফোনের চালান ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পাবে। অন্যদিকে ব্যবহৃত ফোনের বাজার বছরটিতে প্রায় ১০ শতাংশ বাড়বে।
গত সোয়া তিন বছরে (৪০ মাস) বেশির ভাগ উন্নত বাজারে নতুন ফোনের রিফ্রেশ রেট বাড়ানো হয়েছে যা সেকেন্ডারি মার্কেটে পণ্যের ঘাটতি সৃষ্টিতে প্রভাব রেখেছে। নতুন গ্রাহক ধরতে কোম্পানিগুলো যে বাণিজ্যিক কৌশল অবলম্বন করছে, তা ব্যবহৃত স্মার্টফোনের বাজারকে শক্তিশালী করছে। যদিও স্মার্টফোনের সেকেন্ডারি মার্কেট নতুন বাজারের তুলনায় বেশি শক্তিশালী হয়েছে। তারপরও আগের পূর্বাভাস থেকে বৃদ্ধির হার কমে আসায়, বাজার পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে খাত সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে মজুদ স্বল্পতার মতো বিষয় প্রতিটি অঞ্চলেই ব্যবহৃত ডিভাইসের সামগ্রিক বাজারকে প্রভাবিত করেছে। এছাড়া রিফ্রেশ রেট ও দুর্বল ভোক্তা ব্যয় নতুন এবং পুরনো উভয় বাজারকে প্রভাবিত করেছে। ফলে সেকেন্ডারি মার্কেটে সরবরাহ প্রায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।
এবার ব্লাড সুগার জানাবে স্যামসাং স্মার্ট ওয়াচ