প্রায় চার বছর পর সুদিন ফিরেছে বৈশ্বিক স্মার্টফোনের বাজারে। মহামারি এবং বিশ্বব্যাপী চিপ সংকটের মধ্যেই ২০২১ সালে স্মার্টফোনের বার্ষিক চালান ৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ১৩৯ কোটি হ্যান্ডসেটে। বরাবরের মত এবারও শীর্ষে স্যামসাং আর দ্বিতীয় অবস্থানে অ্যাপল।
একবিংশ শতাব্দীতে এসে স্মার্টফোন ছাড়া জীবন প্রায় অচল। সার্বক্ষণিক সঙ্গী এই গ্যাজেট। শুধু যোগাযোগের মাধ্যমই নয় বর্তমানে আরও অনেক কাজেই ব্যবহৃত হচ্ছে স্মার্টফোন।
করোনাকালে বিশ্বব্যাপী শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস কিংবা অফিস মিটিং সবই প্রায় চলছে স্মার্টফোনের মাধ্যমেই। আর তাইতো গেল বছর এর শিপমেন্টও বেড়েছে।
একদিকে করোনা মহামারি অন্যদিকে বৈশ্বিক চিপ সংকট। এর মধ্যেও ২০২১ সালে গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোনের শিপমেন্ট হয়েছে।
এসময় স্মার্টফোনের বার্ষিক চালান ৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ১৩৯ কোটি হ্যান্ডসেটে। তবু এই সংখ্যা করোনা পূর্ববর্তী সময়ে চেয়ে কম।
বাজার গবেষণা সংস্থা কাউন্টারপার্ট রিসার্চের তথ্য বলছে, ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোনের চালান হয়েছিলো ১৫৬ কোটি হ্যান্ডসেট। এরপর থেকেই ২০ সাল পর্যন্ত ক্রমাগতভাবেই কমতে থাকে চালান।
তবে গত বছর উত্তর আমেরিকা, ল্যাটিন আমেরিকা এবং ভারতের মতো দেশগুলোতে স্মার্টফোনের চাহিদা বাড়ায় বৈশ্বিক বাজারে এর প্রভাব পড়েছে বলছে সংস্থাটি।
আরও পড়ুন: ভোজ্যতেলের দাম কমার সম্ভাবনা নেই
২০২১ সালেও বিশ্বের বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা হিসেবে শীর্ষে ছিল স্যামসাং। গেল বছর দক্ষিণ কোরিয়ান এই কোম্পানিটি বিশ্বব্যাপী ২৭ কোটির ও বেশি ডিভাইস সরবরাহ করেছে। এসময় আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপেলের ডিভাইস শিপমেন্ট ১৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪ কোটিতে।
আইফোন ১২ সিরিজের শক্তিশালী কর্মক্ষমতা গ্রাহক প্রিয়তা এর কারণ বলছে বাজার সংশ্লিষ্টরা। চাইনিজ স্মার্টফোন নির্মাতা শাওমির চালান বেড়েছে ৩১ শতাংশ। এছাড়া দুই অংকের প্রবৃদ্ধি হয়েছে অপ্পো এবং ভিভোর।
একাত্তর/আরএ
