রাত পোহালেই টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের আসল লড়াই শুরু। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ভাবনায় ক্যাপ্টেন সাকিবের অনুশীলনে চোট।
যদিও বিসিবির মেডিক্যাল টিম নিশ্চিত করেছে যে, পায়ে ব্যথা থাকলেও সাকিব খেলবেন। ওপেনিংয়ে দেখা যাবে সৌম্য সরকারের সাথে নাজমুল হোসেন শান্তকে।
পর দিন ম্যাচ ভেন্যু থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের মাঠে অনুশীলন। তীব্র ঠাণ্ডা আর শীতল বাতাসের শব্দ কানে বাজে। গায়ে তো কাঁপন ধরাবেই।
বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান উষ্ণতা খুঁজতে হাতে গ্লাভস পরে মাঠে চক্কর দিলেন। অনেকেই তাকে অনুসরণও করলো। এরপর যখন দলকে গেমপ্ল্যান বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন সাপোর্ট স্টাফরা সাকিবের অপেক্ষা ব্যাটিংয়ে নামার।
সেন্টার উইকেটে সৌম্য-শান্তর পালা আর সাকিবের অপেক্ষা এক সাথেই শেষ হয়। মৌসাদ্দেকের বলে বোল্ড সাকিব টিকলেন আর দুই বল।
চোটে পরাস্ত হয়ে সোজা ড্রেসিংরুমে গন্তব্য। এরপর আর কোনো ধরণের স্কিল ট্রেনিংয়ে নামতেই পারেননি ক্যাপ্টেন। দলের মেডিক্যাল টিম যদিও জানাচ্ছে সাকিব খেলবেন।
সাকিব আল হাসান যে করেই হোক মাঠে নামবেন, বাজি ধরা যায়। নেদারল্যান্ডস ম্যাচটা দল আর দেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা তার চাইতে কে বেশি বোঝে।
তাহলে কারা ওপেন করছেন, সাকিব সেই উত্তর মুখে না বললেও, মাঠে ছিল তার স্পষ্ট আভাস।
সৌম্য শান্তকে ক্লিক করাতে যতক্ষণ সেন্টার উইকেটে অনুশীলন করানো হয়েছে। বাকি সব ব্যাটার মিলে ততক্ষণ প্র্যাকটিস করেননি। টানা হারে পুরো দল নিঃসন্দেহে চাপে। অধিনায়ক হিসেবে সাকিবের ওপর চাপটা কি একটু বেশি।
নেদারল্যান্ডস শুধু নয় হোবার্টে বাংলার প্রতিপক্ষ এখানকার অদ্ভুত আবহাওয়াও। আকাশে মেঘ, বাতাসে শীতলতা। সেইসাথে সাকিব ছাড়া আলোচিত ভেন্যুতে নাই কারো খেলার অভিজ্ঞতা।
আরও পড়ুন: আইরিশদের হেসে খেলে হারিয়ে শুভসূচনায় শ্রীলঙ্কা
ব্রিসবেনের সাথে হোবার্টের তফাৎ ভালোভাবেই বুঝেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। অধিকাংশ ক্রিকেটার অনুশীলন সেরেছেন হ্যান্ড গ্লাভস পড়ে। তবে সব বরফ গলে যাবে, তাসমানিয়া উষ্ণতা পাবে, বাংলাদেশ জয় দিয়ে ওয়ার্ল্ডকাপ শুরু করলে।
একাত্তর/আরএ
