থাইল্যান্ডের নৌবাহিনীর ডুবে যাওয়া জাহাজের পাঁচ নাবিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির নৌপ্রধান।
মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) ডুবে যাওয়ার স্থান থেকে ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে চারজনের মরদেহসহ দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তারা সবাই লাইফ জ্যাকেট পরিহিত ছিলেন।
নিখোঁজ ২৪ নাবিকের সন্ধানে এখনও উদ্ধার কার্যক্রম চলাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। এখন পর্যন্ত ৭৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে থাই নৌবাহিনী।
রোববার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে ঝড়ের কবলে পড়ে থাইল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে ১০৫ জন ক্রু নিয়ে ডুবে যায় এইচটিএমএস সুখোথাই।
নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধানে দুই দিন ধরে উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে থাই নৌ ও বিমান বাহিনী।
এর আগে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ভাইস এডমিরাল পিছাই লরচুসাকুল জানিয়েছিলেন, কাউকে জীবিত উদ্ধার করতে তাদের কাছে দুই দিন সময় আছে।
তিনি জানান, লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয় ও ভেসে থাকার কৌশল নাবিকদেরকে ৪৮ ঘণ্টা জীবিত থাকতে সহায়তা করবে।
ইতোমধ্যে ক্লান্ত-শ্রান্ত ও অচেতন অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তারা সবাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা সমুদ্রে ভেসে ছিলেন।
৭৬ মিটার লম্বা এইচটিএমএস সুখোথাই রুটিন টহল দেয়ার সময় ডুবে যায়। প্রথমে জাহাজটির খোলে ও পরে বিদ্যুৎ সরবরাহ কক্ষে পানি ঢুকে যাওয়ায় সেটি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: চীন সীমান্তে ভারতের সেনা উপস্থিতি জোরদার
তবে কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নৌ বিশেষজ্ঞরা।
অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নৌ আইন বিশেষজ্ঞ ডেভিড লেটস বলেন, 'এটি খুবই অদ্ভুত ব্যাপার। ইঞ্জিন রুমের মতো কেন্দ্রীয় ইউনিটে পানি ঢুকে যাওয়া ঠেকাতে জাহাজে সাধারণত নানা ধরণের ব্যবস্থা থাকে'।
একাত্তর/এসজে
