এবার পানির নিচে পারমাণবিক হামলা চালাতে সক্ষম ড্রোনের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া।
শুক্রবার (২৪ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ এ তথ্য জানায়। খবর: বিবিসি।
কেসিএনএ জানায়, শত্রু নৌযান এবং বন্দরগুলোকে উড়িয়ে দেবে এ ড্রোন। কিম জং উনের নির্দেশনায় চলতি সপ্তাহে পরিচালিত একটি সামরিক মহড়ায় উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনী নতুন এ অস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলে জানায় তারা।
কেসিএনএ’র প্রতিবেদনে জানা যায়, এই পারমাণবিক আন্ডারওয়াটার অ্যাটাক ড্রোনটি যেকোনো উপকূল এবং বন্দরে মোতায়েন করা যেতে পারে বা অপারেশনের জন্য একটি সারফেস জাহাজ দিয়ে টেনেও নিয়ে যাওয়া যায়।
বার্তা সংস্থাটি আরও জানায়, মহড়া চলাকালীন মঙ্গলবার (২১ মার্চ) ড্রোনটিকে দক্ষিণ হামগিয়ং প্রদেশের পানিতে রাখা হয়েছিল। বিস্ফোরণের আগে প্রায় ৮০ থেকে ১৫০ মিটার (২৬০ থেকে ৪৯০ ফুট) গভীরতায় ৫৯ ঘণ্টা ১২ মিনিট ধরে পানির নীচ দিয়ে চলে এটি। বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) পূর্ব উপকূলে বিস্ফোরিত হয় এটি। তবে এই ড্রোনের পারমাণবিক ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি কেসিএনএ।
আরও পড়ুন: জার্মানি গেলে গ্রেপ্তার হবেন পুতিন: রাষ্ট্রদূত
চলতি বছরের শুরু থেকেই ধারাবাহিক ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাচ্ছে কিম জং উনের দেশ। পিয়ংইংয়ের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় গত ১৩ মার্চ থেকে দক্ষিণ কোরিয়াকে নিয়ে গত পাঁচ বছরের মধ্যে বড় ধরনের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর এ ধরনের সামরিক মহড়াকে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে কিম জং উনের প্রশাসন। সম্প্রতি কিম জং উন উত্তর কোরীয় সেনাবাহিনীকে সত্যিকার যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশও দিয়েছেন।
একাত্তর/জো
