বাগেরহাটে গভীর রাতে দুই তরুণীকে আটক দুই দফা ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার এক তরুণী দুই জনের নামে মামলার পর এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে জেলার ফকিরহাট উপজেলার জাড়িয়া চৌমাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার যুবকের নাম শাকিল সরদার (২৫)। তিনি ফকিরহাট উপজেলার সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ও স্থানীয় কাজী আজাহার আলী কলেজে অনার্সের ছাত্র বলে জানা গেছে। অপর আসামি শাকিলের বন্ধু একই গ্রামের মেহেদী হাসান (২০)। তিনি পলাতক।
মামলার এজহারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ফকিরহাট উপজেলার টাউন নওয়াপাড়া এলাকার দুই তরুণী পড়ালেখার পাশাপাশি ঢাকায় একটি কপি শপে চাকরি করেন। শনিবার তারা দুই বান্ধবী চাচাতো ভাই ও বন্ধুর সঙ্গে দুটি মোটরসাইকেল যোগে বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে রাত একটার দিকে খুলনায় যাচ্ছিলো। পথে জাড়িয়া এলাকায় পৌঁছালে শাকিল ও মেহেদী তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাদের মারধর করে। পরে পাশের চায়ের দোকানে নিয়ে যায়। সেখান এবং পাশের আরেকটি জায়গায় দুই দফা ধর্ষণ করে।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এ্যান্ড অপস) মো. রাসেলুর রহমান জানান, দুই তরুণীকে ধর্ষণের পর আসামিরা তাদের শ্রীঘাট এলাকায় পৌঁছে দেয়। পরে ওই তরুণীদের সঙ্গে থাকা তাদের বন্ধুরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে। পুলিশ রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে শাকিলকে গ্রেপ্তার করেছে।
তিনি জানান, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাকিল ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। অপর আসামিকে ধরতে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিয়ান চলছে বলে পুলিশ জানায়।
সোমবার দুপুরে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা শাকিলকে বাগেরহাট জুডিশিয়াল মাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেলুর রহমান আরও জানান, নির্যাতনের শিকার দুই তরুণীকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং বিভিন্ন আলমত জব্দ করা হয়েছে।
ফকিরহাট উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক জয়ন্ত কুমার দাস জানান, ইতিমধ্যে শাকিল সরদারকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
আদালতে তিন তলা থেকে পড়ে গেলেন বাদি-বিবাদি দম্পতি