গলি থেকে রাজপ্রসাদ বলতে যা বুঝায়, ভারতের নামি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর জীবন ঠিক তারই জ্বলন্ত উদাহরণ। গত কয়েক দশক ধরে হিন্দি এবং বাংলায় নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। কখনও ডিস্কো নেচে পর্দায় বিপ্লব ঘটিয়েছেন, কখন সংলাপে দেশের নায়ক হয়েছে। সেই মহাগুরু হিসাবে খ্যাত বার পদ্মভূষণে সম্মানিত হচ্ছেন।
তার পাশাপাশি পদ্মভূষণ দেয়া হয়েছে আরও ১৬ জনকে। ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পেলেন কেরলের এম ফতিমা বিভী (মরণোত্তর), শিল্পপতি সীতারাম জিন্দল, সাহিত্য সাংবাদিক হরমুসজি এন কামা, চিকিৎসক অশ্বিনী বালচাঁদ মেহতাসহ বিশিষ্টরা। আছেন বাংলাদেশের রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পীর বন্যার নামও।
পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হয়ে স্বাভাবিকভাবেই আপ্লুত মিঠুন চক্রবর্তী। এক ভিডিও বার্তায় মিঠুন বলেন, এই সম্মান পেয়ে আমি গর্বিত, আমি আনন্দিত। সবাইকে ধন্যবাদ। আমি কখনও নিজের জন্য কারও কাছ থেকে কিছু চাইনি। কিছু না চেয়ে পাওয়ার যে আনন্দ, তা আজকে উপলব্ধি করছি।
তিনি এই সম্মান তার লাখো কোটি ভক্তদের উৎসর্গ করে বলেন, যারা এতদিন ধরে নিঃস্বার্থভাবে আমাকে ভালোবেসেছেন তাদেরকে উৎসর্গ করছি।

এদিকে, পদ্মভূষণ নিয়ে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, অভিনয়ের স্বীকৃতিতে পদ্মভূষণ নয়।
তিনি বলেন, এখন বেইমানি করা আর কুৎসা করার পারিশ্রমিক। দলবদল করে, কৃতজ্ঞতার মোড়ক খুলে, ভাড়া করা নোটাঙ্কির পুরস্কার। তবে এই নিয়ে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া শোনা যায়নি মিঠুনের মুখে।
বাংলাদেশের মানুষের মনের ছোঁয়াটা পাওয়া যায়: মমতা শঙ্কর
ফ্যাশন বাইয়ের প্রচ্ছদে এডিস হামলা শিকার নারীর ছবি