তৈরি পোশাক কারখানা ছুটি হতেই প্রচণ্ড যাত্রীচাপে হিমশিম অবস্থা সাভার, নবীনগর ও চন্দ্রা এলাকায়। তবে আগের দিনের সাভার-নবীনগর মহাসড়কের তীব্র জট কমে এসে অনেকটাই।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষ ঘরে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা হন। মূলত সোমবার বিকেলে পোশাক কারখানাগুলো চুটি হতেই যাত্রীচাপ বেড়ে যায়।
সকালে গাড়ির সংখ্যা কম থাকায় বহু যাত্রীকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতিও পাল্টাতে শুরু করে। বাড়তে থাকে গাড়ীর সংখ্যা।

যাত্রীবাহী বাসের পাশাপাশি খোলা ট্রাক, পিকআপসহ বিভিন্ন যানবাহনে ঘরে ফিরছে মানুষ। তারপরও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সড়কে অপেক্ষায় বহু মানুষ।
এবার যাত্রীচাপ থাকলেও, যানবাহনের সংখ্যা পর্যাপ্ত থাকার কারণে গত বছরগুলোর তুলনায় এবার ভোগান্তি কমেছে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।
আর নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত সড়কে মোতায়েন রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অসংখ্য সদস্য। সড়কপথে করা হচ্ছে মনিটরিং। বেশি ভাড়া আদায় করা হলে নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা।
নবীনগরে দায়িত্ব পালন করা এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, পোশাক কারখানা চুটি হওয়ায় যাত্রীচাপ বেড়েছে। এই চাপ থাকবে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত।
তবে চাপ থাকার পরেও যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে গাড়ি পাচ্ছে জানিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গাড়ির অতিরিক্ত ভাড়া বন্ধ হয়েছে। এ জন্য যাত্রীরা খুশি।

এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানী থেকে বের হয়ে সাভারের নবীনগর-চন্দ্রা যেতে সময় লেগেছে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা।
মূলত দুপুরের পর থেকেই সড়কে বাড়তে শুরু করে গাড়ির চাপ। এরমাঝে রাজধানী থেকে বের হওয়ার মুখে আমিনবাজার থেকে সাভারের নবীনগর পর্যন্ত সড়কের পাশে যত্রতত্র বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী নেয়া হয়।
এছাড়াও মহাসড়কে চলাচল শুরু করে তিন চাকার গাড়ি। ফলে যানবাহনের গতি ধীর হয়ে যায়, এতে বাড়তে থাকে যানজট।
সন্ধ্যার পর আমিনবাজার থেকে নবীনগর পর্যন্ত পাড়ি দিতেই সময় লেগেছে তিন থেকে চার ঘণ্টা। অন্যদিকে নবীনগর থেকে চন্দ্রা সড়কেও দেখা দেয় একই অবস্থা।
শক্তি জানান দিতেই তৎপর ‘কেএনএফ’