আসন্ন বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি শেরপুর জেলার পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী মানুষের। নেতারা বলছেন, সমতল অঞ্চলের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের জন্য কোন বাজেট রাখা হয় না, অথচ পার্বত্য অঞ্চলের জন্য কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজেট রাখা হয়, যা এক ধরনের বৈষম্য। আসন্ন বাজেটে তাই স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ বরাদ্দ চায় এখানকার মানুষ।
শেরপুর জেলার শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ীতে ১শ’ বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করছে গারো, বর্মণ, হদি, কোচ, হাজং, ডালু, বানাই সম্প্রদায়ের প্রায় ৬২ হাজার মানুষ।
পুরো জেলায় সরকারি-বেসরকারি নানা উদ্যোগের পরেও এখনো পিছিয়ে আছে সীমান্ত এলাকার উন্নয়ন। বেহাল রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি কৃষির বাইরে কর্মসংস্থান, মেডিকেল কলেজ ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি এলাকাবাসীর।
তারা জানান, বর্ষার সময় সড়কে চলার মতো অবস্থা থাকে না। তাছাড়া এখনো অনেক জায়গায় টয়লেটসহ নিরাপদ পানিও অন্যান্য সংকট রয়েছে।
ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর নেতারা বলছেন, আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ বরাদ্দ না হলে আরও পিছিয়ে পড়বে এ অঞ্চলের মানুষ।
আদিবাসী সক্ষমতা উন্নয়ন প্রকল্প (আইইডি) এর ফেলো সুমন্ত বর্মণ এ বিষয়ে বলেন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে বিশেষ বরাদ্দ দরকার। যাতে আমাদের আদিবাসী সম্প্রদায় উপকৃত হবে।
ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সেন্ট্রাল ভাইস চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমা বলেন, সমতলে বসবাস করা আদিবাসী বাসিন্দাদের জন্য বাজেটে আলাদা কোনো বরাদ্দ রাখা হয় না। যা আমাদের জন্য বৈষম্য বলেই আমরা মনে করি।
বেসরকারি সংস্থা আইইডি’র পরিসংখ্যান অনুসারে বর্তমানে শেরপুর জেলায় বসবাস করে ৩৪ হাজার গারো, ১৭ হাজার বর্মন, ৪ হাজার পাঁচশ’ হদি, ৪ হাজার কোচ, ১২শ’ হাজং, ১২শ’ ডালু এবং একশ’ বানাই নৃগোষ্ঠীর মানুষ।
আওয়ামী লীগ নেতাকে করা গুলি বিঁধলো কলেজছাত্রের গায়ে