রাসেল ভাইপার। দেশজুড়ে এখন এক আতঙ্কের নাম। ছাগলকাণ্ড থেকে শুরু করে বেনজীরনামায় দেশ বুঁদ হয়ে থাকলেও বিষধর এই সাপটির উপস্থিতি দেশজুড়ে বাড়তে থাকায় জনমনে ব্যাপক উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে খবর এসেছে পদ্মা নদী থেকে একটি রাসেল ভাইপার উদ্ধারের ঘটনা।
কীভাবে জ্যান্ত উদ্ধার হলো বিষধর সাপটি? যে পদ্মা অববাহিকায় রাসেল ভাইপারের উৎপাত সবচেয়ে বেশি, সেখানেই দেখা মিলেেছ এটির। শরীয়তপুরের জাজিরাতে পদ্মা নদী থেকে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বিষধর রাসেল ভাইপার সাপ উদ্ধার করে স্নেক রেসকিউ টিমের হাত তুলে দেয় স্থানীয়রা।
তারা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় জব্বর আলী আকন কান্দি এলাকার সোহেল মাদবরসহ বেশ কয়েকজন নৌকা নিয়ে পদ্মা নদী পার হচ্ছিলেন। এ সময় তারা নদীতে একটি সাপ দেখতে পান। কাছে গিয়ে দেখা যায় সাপটি রাসেল ভাইপার। এরপর নৌকার যাত্রীরা বাঁশের লাঠি দিয়ে সাপটিকে পিটিয়ে আহত করেন।

পরে নৌকায় থাকা একটি মাছ ধরার চাইয়ের ভেতরে ঢুকিয়ে এলাকায় নিয়ে আসেন। বিষয়টি স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশকে জানালে তারা এসে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সাপটি ধরে আনা সোহেল মাদবর বলেন, পদ্মা নদী পার হবার সময় সাপটিকে দেখতে পাই। পরে আহত করে সাপটিকে ধরা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী মুহাম্মদ রাসেল আকন বলেন, জাজিরায় রাসেলস ভাইপারের বিচরণ বেশ বেড়ে গেছে। সবসময় এলাকার মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। এই বিষধর সাপ থেকে মুক্তি চাই। সবাই চাইছে, শিগগিরই যেন সরকার এই বিষধর সাপের উপদ্রব থেকে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্নেক রেসকিউ টিমের মেহেদী হাসান জুবায়ের বলেন, আমরা ফোনের মাধ্যমে জানতে পারি জাজিরায় একটি রাসেলস ভাইপার সাপ ধরা পড়েছে। পরে ঢাকা থেকে আমাদের একটি দল গিয়ে রাত ১২টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করি। তবে সাপটি কিছুটা আহত অবস্থায় ছিলো।
নিজ অস্ত্রের গুলিতে আহত পুলিশ