গত বছর বিশ্বের নানা স্থানেই পারদ সর্বোচ্চে চড়ে বিশ্বরেকর্ড করেছে তাপমাত্রা। প্রচণ্ড দাবদাহে ইউরোপে ৪৭ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এক বছরেই। বিশেষত দক্ষিণ ইউরোপের দেশগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সোমবার বার্সেলোনা ইন্সটিটিউট ফর গ্লোবাল হেলথ (আইএসগ্লোবাল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায়, ইউরোপীয়রা বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত-উষ্ণ হওয়া মহাদেশে বাস করছে এবং তীব্র তাপ থেকে উদ্ভূত ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য-ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে বলেও ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
স্প্যানিশ গবেষণা কেন্দ্রটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রমবর্ধমান উষ্ণ আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ফলে গত ২০ বছর ধরে বিভিন্ন রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করায় তীব্র গরমে ২০২৩ সালের মৃত্যুর সংখ্যা ধারণার চেয়ে কিছুটা কমেছে। গত বছর ৬০ হাজারের বেশি মানুষের তাপমাত্রা-সম্পর্কিত কারণে মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। এ ধরণের মৃত্যু রোধে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নয়ন।
আইএসগ্লোবাল’র গবেষক এলিসা গ্যাল্লো জানান, ‘চলতি শতাব্দীতে উচ্চ-তাপমাত্রার সঙ্গে সামাজিকভাবে খাপ খাওয়ানোর প্রক্রিয়া কীভাবে হয়েছে, তা আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে। এর ফলে বিশেষত বয়স্কদের মধ্যে তাপমাত্রা-জনিত মৃত্যুর ঘটনা কম হয়েছে।’
গবেষণায় ইউরোপের ৩৫টি দেশের মৃত্যু ও তাপমাত্রা সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। তাপজনিত কারণে ৪৭ হাজার ৬৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে তাদের গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে। গ্রিস, বুলগেরিয়া, ইতালি ও স্পেনে তাপমাত্রা-জনিত কারণে উচ্চ মৃত্যুহার দেখা গেছে বলে গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃষ্টি ও ভূমিধসে জেরবার ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল