কৃষকের জন্য ভর্তুকির কৃষিযন্ত্র কার পেটে

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৪, ১১:২৮ পিএম

বরগুনার কৃষকদের জন্য সরকারের ৭০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া শত শত কম্বাইন হারভেস্টার গায়েব হয়ে গেছে। যেসব কৃষকের নামে হারভেস্টার ছাড় হয়েছে, তারা এসব বিষয়ে কিছুই জানেন না। এ ব্যাপারে অনুসন্ধানে একাত্তর জানতে পারে, কৃষি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কেউ কেউ ‘অদৃশ্য কৃষক’, আবার অনেকে তাদের স্বজনদের নামে ছাড় করিয়েছেন এই অত্যাধুনিক কৃষিযন্ত্র। এরপর থেকেই কৃষি যন্ত্রগুলোর হদিস নেই। সূত্র বলছে- কৃষিমন্ত্রী, সচিব ও প্রকল্প পরিচালকেরাও জড়িত এসব অনৈতিক ও দুর্নীতির কর্মকাণ্ডে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কৃষকের জন্য সরকারের ভর্তুকি দিয়ে কেনা পাওয়ার টিলার ও সিডার, কৃষিযন্ত্র বিক্রি করে রাতের আঁধারে পাঠানো হচ্ছে উত্তরাঞ্চলে। গত তিন অর্থবছরে বরগুনায় বিভিন্ন কৃষকের নামে কৃষি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এসব কৃষিযন্ত্র পাচার করছে একটি চক্র। তালতলী, বরগুনা সদর, পাথরঘাটাসহ গোটা জেলার কৃষিযন্ত্র পাচার হচ্ছে খুলনা ও যশোরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে পেশা বদলে উপকূলের অনেক শ্রমিক এখন ঢাকামুখী। তাই তীব্র শ্রমিক সঙ্কটে যখন গোটা উপকূলের কৃষক, তখন কৃষি নির্ভরশীল বরগুনা জেলায় সরকার ৭০ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে নিয়ে আসে কম্বাইন হারভেস্টার। একটি কম্বাইন হারভেস্টারের মূল্য কোম্পানি ভেদে ৩০ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা। যার ২১ থেকে ৩০ লাখ টাকা দিচ্ছে সরকার। বাকি মাত্র ৯ লাখ থেকে ১২ লাখ টাকা দিচ্ছেন কৃষক।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই হারভেস্টার দিয়ে ঘণ্টায় এক একর জমির ধান বা গম কাটা থেকে বস্তাবন্দি করা যায়। এতে করে প্রতি একরে জ্বালানি খরচ হয় মাত্র ১২ লিটার। কৃষকদের জন্য সরকারের এই সুবিধার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে খোদ কৃষি অফিসই।

বরগুনা সদর কৃষি অফিসের তথ্যমতে, গত অর্থ বছরে বরগুনা সদরের আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের জসিম উদ্দিনের নামে বরাদ্দ হয় একটি কম্বাইন হারভেস্টার। তবে এটি আর চোখে দেখা হয়নি তার।

বলেন, তাকে কম্বাইন হারভেস্টার দেওয়ার কথা বলে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি নিয়েছেন কৃষি অফিসের সাব অ্যাসিস্টেন্ট প্ল্যান প্রোটেকশন অফিসার মো. মুনিরুজ্জামান এবং উপ-সহকারী কৃষি অফিসার ইলিয়াছুর রহমান। কিন্তু এরপর হারভেস্টার চোখে দেখেন নাই তিনি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সদরের এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের আজিজাবাদ এলাকার আব্দুস ছাত্তার ও বারেক হাওলাদার পেয়েছেন দুটি কম্বাইন হারভেস্টার। তবে, এই হারভেস্টার দুটোও গায়েব।

আব্দুস ছাত্তার বরগুনা সদর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিনের বাবা। বারেক হাওলাদারও তার নিকট আত্মীয়। আব্দুস ছাত্তার ও বারেক হাওলাদারের স্ত্রীরা বলেন, জসিম উদ্দিন কৃষি অফিসে চাকরিরত, তাই তার নিজ নামে হারভেস্টর ছাড়াতে না পেরে তাদের নাম ব্যবহার করেছেন। এছাড়া কিছুই জানেন না। 

একই অবস্থা আমতলী, তালতলী পাথরঘাটাসহ গোটা জেলাজুড়ে।

তালতলী উপজেলার বাদুরগাছা এলাকার দর্জি নাসির উদ্দিন বলেন, কৃষি অফিসের নথি মতে ৩২ লাখ টাকা মূল্যের একটি কম্বাইন হারভেস্টার পেয়েছেন তিনি। প্রতিবেশী ও স্বজন মাহমুদুল হাসান ওরফে সবুজের মাধ্যমে কৃষি কর্মকর্তা তার কাছ ছবি ও জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি নিয়েছিলেন। এক বছর পর জানতে পারেন তিনি একটি হারভেস্টারের মালিক।

এলাকার কৃষক ও জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, কৃষি কর্মকর্তাদের ঘনিষ্ঠ মাহমুদুল হাসান সবুজ ও কৃষি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ‘ভৌতিক’ কৃষকদের তালিকা করে হারভেস্টার ছাড় করে বিক্রি করেন তারা।

কৃষি অফিসের তথ্য বলছে, জেলার ছয় উপজেলায় ২০২০-২১ থেকে ২০২২-২০২৩ এই তিনি অর্থ বছরে ৩৩১টি কম্বাইল হারভেস্টার ও ২১৫টি পাওয়ার থ্রেসারে সরকার ভর্তুকি দিয়েছে প্রায় শত কোটি টাকা। তবে যাদের জন্য সরকারের এই ভর্তুকি, সেই কৃষক কি পাচ্ছেন এর সুবিধা?

এর উত্তর জানাতে একাত্তর কথা বলে তালতলীর বাদুরগাছা এলাকার কৃষক আসমত আলী সঙ্গে। তিনি বলেন, কাগজে-কলমে শুধু দেখি ধান কাটা মেশিন বরাদ্দ। কিন্তু আমরা কৃষি অফিসে বছরের পর বছর ঘুরেও পাইনা। গত মৌসুমে আমি উত্তরাঞ্চল থেকে হারভেস্টার ভাড়া করে এনে ১২ একর জমির ধান কাটিয়েছি।

সদরের বুড়িরচর এলাকার কৃষক বারেক হাওলাদার, মিঠুন হাওলাদার বলেন, আমাদের এলাকায় নাকি অনেক কৃষক হারভেস্টার পেয়েছেন। আমি শুধু শুনেছি। কিন্তু দেখিনি। আমরা ধান কাটার সময়ে দূর-দূরান্ত থেকে হারভেস্টার ভাড়া এনে বাড়তি খরচ দিয়ে ধান কাটাই। শ্রমিক সঙ্কটের কারণে আমরা হারভেস্টারের ওপর নির্ভরশীল।

এসব বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে কৃষিযন্ত্রের কারসাজিতে জড়িত ইউনিয়নে কর্মরত কৃষি কর্মকর্তারা। যাদের পাওয়া গেছে, তারা বলছেন ভিন্ন ভিন্ন কথা। আবার কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। 

বরগুনা সদর কৃষি অফিসের সাব অ্যাসিস্টেন্ট প্ল্যান প্রোটেকশন অফিসার মো. মুনিরুজ্জামান বলেন, আমি জসিমকে চিনি না। আমার নামে মিথ্যা বলছে। যারা কৃষিযন্ত্র নিয়েছে তাদের সই তালিকায় আছে। 

বরগুনা সদর কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন ও তালতলীর সাবেক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, তারা এসবের সঙ্গে জড়িত নন।

এদিকে রাতের আঁধারে কৃষিযন্ত্র সিডার, পাওয়ার টিলার বিক্রি ও উত্তরাঞ্চলে পাচারের একটি ভিডিও ধারন করেছে একাত্তর। এতে দেখা যায়, রাতের আঁধারে কৃষিযন্ত্র ট্রাকে করে পাচার হচ্ছে।

অথচ কৃষি ব্যবস্থায় আধুনিকীকরণের জন্য উপকূলের কৃষকদের জন্য কৃষিযন্ত্র সিডার ও টিলারেও সরকার ৭০ ভাগ টাকা দিয়ে কৃষকের কাছ থেকে নিচ্ছে মাত্র ৩০ ভাগ টাকা। কিন্তু সেসব কৃষক কৃষি ব্যবস্থার আধুনিকরন কি আদৌ হয়েছে?

বাস্তব চিত্র বলছে, এই উপকূলের প্রান্তিক কৃষক এখনও আদি যুগের মতোই গবাদি পশু দিয়ে জমিতে চাষ করছেন। আবার যারা একান্তই গরিব, তারা ফসলি মাঠের জমি প্রস্তুত করছেন গায়ে গদরে খেটে।

তালতলীর বাদুরগাছা এলাকার কৃষক মনিরুজ্জামান হারুনের মতো অনেক কৃষক একটি পাওয়ার টিলারের জন্য ঘুরেছেন উপজেলা কৃষি অফিসে। তবে, তাদের ভাগ্যে জোটেনি এই কৃষি যন্ত্র। তাই কিস্তিতে এক লাখ ৮৭ হাজার টাকায় কিনেছেন পাওয়ার টিলার।

মনিরুজ্জামান হারুন একাত্তরকে বলেন, ধারদেনা করে ১০ একর জমির চাষের জন্য পটুয়াখালী থেকে টিলার কিনেছি। কিন্তু কৃষি অফিসে বার বার চেষ্টা করেও আমি টিলার পাইনি।

তবে, মনিরুজ্জামানের প্রতিবেশী সবুজ হাওলাদারের বাড়িতে পাওয়ার টিলারসহ কৃষিযন্ত্রের সমাহার।

কে এই সবুজ হাওলাদার

স্থানীয় কৃষকের দাবি, তালতলীর গোটা কৃষি অফিস নিয়ন্ত্রণ করেন ওই অফিসের দালাল সবুজ হাওলাদার।

সবুজ হাওলাদারের সঙ্গে স্থানীয় এক কৃষকের কথোপকথনের ভিডিও চিত্র এসেছে একাত্তরের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায়, সবুজ হাওলাদার গোমর ফাঁস করেন কৃষি অফিস ও কৃষিযন্ত্র বিক্রি করা কোম্পানিগুলোর।

সবুজের ভাষ্যমতে, কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কৃষি অফিসের যোগসাজশে কৃষিযন্ত্রগুলো উত্তরাঞ্চলে পাচার করে ৫০ ভাগ ভর্তুকি দরে আবারও বিক্রি করে কৃষকের কাছে। বিনিময়ে প্রতি যন্ত্র হিসেব করে ভাগ দেয় কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের।

এই উপজেলার ঘুরে হাতে গোনা যে কয়টি কৃষিযন্ত্রের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, সরকারের ভর্তুকি দরে কেনা সেসব কৃষিযন্ত্র কৃষক কিনেছেন সবুজের কাছ থেকে। উপজেলাগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে ভর্তুকি দরে কৃষি যন্ত্র ছাড় হয়েছে কৃষকদের নামে।

বরগুনা সদরের দক্ষিণ ইটবাড়িয়া গ্রামের ফরিদ মিয়া ও তার ছেলে মো. আকাশ ভর্তুকি দরে পেয়েছেন দুটি সিডার ও দুটি পাওয়ার টিলার। তবে, বাবা-ছেলে দুজনেই যে কোম্পানির থেকে কৃষিযন্ত্র সরকারের দেওয়া ভর্তুকি দরে কিনেছেন, সেই কোম্পানির কাছেই বিক্রি করেছেন চারটি কৃষিযন্ত্র। বাবা প্রকৃত কৃষক হলেও ছেলে ধারে কাছেও নেই কৃষি কাজের। 

অন্যদিকে, কৃষিযন্ত্র পাওয়ার আগে থেকেই সচ্ছল এই কৃষক একটি সচল পাওয়ার টিলারের মালিক। এটি দিয়েই নিজের জমি চাষাবাদ করেন তিনি।

একটি সিডার ও পাওয়ার টিলার পেয়েছেন সদরের পূর্ব কেওড়াবুনিয়া এলাকার শহিদুল ইসলাম। তিনিও বিক্রি করেছেন কৃষিযন্ত্র দুটি। ফরিদ মিয়া, আকাশ ও শহিদুল ইসলামসহ গোটা আয়লা-পাতাকাটা ইউনিয়নে কৃষিযন্ত্র কারবারির মূলহোতা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রহিম। অন্য ইউনিয়নেও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা-ব্লক সুপারভাইজাররা কৃষিযন্ত্র পাচারের বলয় গড়ে তুলেছেন।

এছাড়া আমতলী ও পাথরঘাটা উপজেলাসহ জেলায় তিন অর্থ-বছরে নামে-বেনামে বরাদ্দ হয়েছে এক হাজার ৬৮৪টি সিডার ও পাওয়ার টিলার। যার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৩১ কোটি টাকা। এসব কৃষিযন্ত্র পাচার হয়েছে বিভিন্ন সময়ে।  

কৃষক কেন ভোগ করতে পারছে না অত্যাধুনিক কৃষিযন্ত্রের সুফল, এমন প্রশ্নের উত্তর মেলার কথা ভর্তুকি দরে যন্ত্র কেনার কৃষকের যারা চূড়ান্ত তালিকা করেন তাদের কাছে। 

খোঁজ করে জানা যায়, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কৃষক আবেদন করার পর তা বাছাই কমিটির সভাপতি (ইউএনও) ও সদস্য সচিব (উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা) কৃষকের নাম চূড়ান্ত করেন।

এ ব্যাপারে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম মিঞা ও সদ্য বিদায়ী তালতলীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার বলেন, কৃষক বাছাই কমিটির পুরো কাজটাই করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা। মাঠ পর্যায়ের তথ্য কৃষি অফিসের কাছে থাকে। কৃষক বা কৃষি উদ্যোক্তা কৃষি অফিস নির্ধারণ করে দিয়ে থাকে।

তাহলে প্রকৃত কৃষক তিন অর্থবছরে কেন কৃষিযন্ত্র পায়নি, এর পেছনের কারণ কি বাছাই কমিটির সদস্য সচিব অর্থাৎ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা? এই প্রশ্ন তো থেকেই যাচ্ছে।

এই তিন অর্থবছরে যারা সদস্য সদস্য সচিব ছিলেন তারা হলেন- মোস্তাফিজুর রহমান (বরগুনা সদর), শিশির কুমার বড়াল (পাথরঘাটা), সুমন হাওলাদার ও সিএম রেজাউল কমির (তালতলী), সিএম রেজাউল করিম (আমতলী)। সবাই এখন বদলি হয়েছেন বিভিন্ন উপজেলায়। 

এ ব্যাপারে বরগুনা সদরের সাবেক কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, একটি চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্র সিন্ডিকেট করে কৃষিযন্ত্র পাচার করে। তবে এসবের সঙ্গ আমি জড়িত নই। 

পাথরঘাটার সাবেক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিশির কুমার বড়াল বলেন, এসব কিছু তার মনে নেই। 

এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আবু সৈয়দ মো. জোবায়দুল আলম ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে তিনি বলেন, কৃষকের তালিকা থেকে যন্ত্র বিতরণের সব কাজটাই করেন উপজেলা কৃষি অফিস, প্রকল্প পরিচালক ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন কর্মকর্তারা।

কৃষি নির্ভরশীল উপকূলীয় এই জেলায় কৃষকের সংখ্যা এ্ক লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৬ জন। তাদের মধ্যে এখনও আদি পদ্ধতিতে ফসলি মাঠ প্রস্তুত করেন প্রায় ৪০ ভাগ কৃষক। আর বাকি কৃষকদের মধ্যে বেশির ভাগই কৃষিযন্ত্র ভাড়া করে আনেন উত্তরবঙ্গ থেকে। কৃষিতে আধুনিকীকরণের পাঁচ বছরের প্রকল্পের প্রায় চার বছর শেষে কতটুকু সুফল পেয়েছে কৃষকরা তা প্রমাণ করে মাঠের এই চিত্র।

 

একাত্তর/এসি
বরগুনা জেলা পরিষদের সদর ডাকবাংলোর তিনতলার দুটি কক্ষ থেকে এক নারী ও তার দুই শিশু কন্যার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ এসে কক্ষের দরজা ভেঙে মরদেহগুলো...
গভীর বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের হামলায় দুই জেলে গুলিবিদ্ধসহ ১৪ জেলে আহত হয়েছেন। হামলার প্রায় ২০ ঘণ্টা পর নিরাপদে ফেরার পর তারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। 
বরগুনায় গৃহবধূকে হত্যায় স্বামী, সতিনসহ তিন জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক বেগম লায়লাতুল ফেরদৌস এই রায় দেন। 
বরগুনায় ডেঙ্গুতে আক্রন্ত হয়ে নতুন করে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় চলতি বছরে ডেঙ্গু জ্বরে প্রাণ হারালেন ২৫ জন।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতা ডা. সেলিনা হায়াত আইভী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টা আট মিনিটে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্ত হন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও গাইবান্ধায় আলাদা বজ্রপাতের ঘটনায় মা-ছেলে ও এক কিশোরসহ চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা দুটিতে আলাদা বজ্রপাতে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
নারায়ণগঞ্জের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতার বিরুদ্ধে মানুষের চলাচলের সরকারি রাস্তা টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদ করায় বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে তার...
বরগুনা জেলা পরিষদের সদর ডাকবাংলোর তিনতলার দুটি কক্ষ থেকে এক নারী ও তার দুই শিশু কন্যার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ এসে কক্ষের দরজা ভেঙে মরদেহগুলো...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর