বিয়ে নিয়ে মশকরা করার জেরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক নারীসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ছয়জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মুনসুরাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয় মাহফিলে আগত ৮০০ লোককে খাওয়ানোর জন্য মঙ্গলবার বিকেলে ভাঙ্গা উপজেলার মুনসুরাবাদ বাজার থেকে কেনাকাটা করেন মাওলানা জাহিদ হোসেন। এতো লোকের আয়োজন দেখে তার (মাওলানা জাহিদ হোসেন) চাচাতো ভাই রাসেল মোল্লা চায়ের দোকানে বসে বলেন, “মাওলানা জাহিদ হোসেন যে পরিমাণ বাজার করেছে, তা দিয়ে চতুর্থ বিয়ে করে ফেলতে পারতো”। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক বিতর্কের এক পর্যায় হাতাহাতি হয়।
এ ঘটনার জের ধরে বুধবার সকালে মুনসুরাবাদ গ্রামের বিবদমান দুই পক্ষ বাবর আলী মাতুব্বরের দলের লোকজন ও আলম মোল্লার দলের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে দুই দলের নারী-পুরুষসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোখলেসুর রহমান জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে মাওলানা জাহিদ ও তার ভাই আলম মোল্লাকে আটক করেছে পুলিশ।
বড়দিনের আগের রাতে ত্রিপুরা পাড়ায় ১৬ ঘর পুড়ে ছাই