জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
রোববার (১৫ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) এই নির্দেশনা দেন।
অনলাইনে আয়োজিত এই সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব এবং দেশের সব জেলা প্রশাসক অংশ নেন। তেলের পর্যাপ্ত জোগান থাকায় সম্প্রতি রেশনিং ব্যবস্থা বাতিলের পর বিপণন ব্যবস্থায় যাতে কোনো ঘাটতি বা অনিয়ম না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই জরুরি সভা ডাকা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে জেলা প্রশাসনকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এখন থেকে প্রতিদিন তেল ডিপোর প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত যাচাই করে নিয়মিত প্রতিবেদন পাঠাতে হবে। এ ছাড়া ডিপো থেকে পাম্পে বরাদ্দকৃত তেল ঠিকঠাক পৌঁছাচ্ছে কি না এবং ডিলার বা গ্রাহকেরা সঠিক মূল্যে তেল পাচ্ছেন কি না, তা তদারকি করার নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় প্রতিমন্ত্রী জানান, কোনো পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। ডিপোর সরবরাহ হিসাবের সঙ্গে পাম্পের প্রাপ্তি ‘ডাবল চেক’ করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, অবৈধ মজুত, তেল পাচার কিংবা অধিক মূল্যে তেল বিক্রি বন্ধে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জ্বালানি তদারকির পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের আগের নির্দেশনাগুলো জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে কার্যকর করার আহ্বান জানান অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করছে। বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের দৃঢ় সহযোগিতা প্রয়োজন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী পেট্রোল পাম্প মালিকদের সংগঠন ‘পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে প্রতিমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।
ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা ২০ লাখ, সুদ সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ