ঈদ ঘনিয়ে আসায় ঘরমুখী মানুষের চাপ বেড়েছে কমলাপুরে। আগের চারদিনের তুলনায় ঈদযাত্রার পঞ্চম দিনে স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় ছিলো অনেক বেশি।
তবে, শিডিউল বিপর্যয় না থাকায় ট্রেনের ঈদযাত্রা এখনো বেশ স্বস্তির। নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু রুটে চলছে ঈদ স্পেশাল ট্রেন। বিনা টিকেটে ও ছাদে ভ্রমণ বন্ধে কঠোর অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
দু’দিন পরই পবিত্র ঈদুল আযহা। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ঈদের ছুটি। স্বাভাবিকভাবেই বুধবার সকাল থেকে যাত্রীচাপ বেশি ছিলো কমলাপুর রেলস্টেশনে।
প্রতিটি ট্রেন প্ল্যাটফর্মে আসার আগেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ট্রেনে চড়ার হুড়োহুড়ি। তবে, অনলাইনে টিকেট কাটার ঝক্কি পেরিয়ে বাড়ির ট্রেন ধরতে পেরে খুশি সবাই।
ঈদযাত্রায় দেশের পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় একটা সময় ছিলো নিয়মিত ঘটনা। তবে, যমুনা রেল সেতু চালু হওয়ায় বদলে গেছে সেই চিত্র। উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনও এখন শিডিউল মেনেই চলে।
ঈদের ছুটির শুরু হলে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এই দু’দিন যাত্রীচাপ আরও অনেক বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই দু’দিন ট্রেনের সময়সূচি ঠিক রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ রেল কর্তৃপক্ষের।
বিনা টিকেটে ও ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ বন্ধে বেশ কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে রেল নিরাপত্তাকর্মীদের। যে কারণে এখন পর্যন্ত ট্রেনের ছাদে ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাউকে যাত্রা করতে দেখা যায়নি।
পশু পরিবহন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, আছে সিন্ডিকেটের অভিযোগও