ব্রিটিশ রাজপরিবারের কনিষ্ঠ বধূ ডাচেস অফ সাসেক্স মেগান মার্কেলের সাথে তার বাবা টমাস মার্কেলের সম্পর্কটা অনেকদিন থেকেই সহজ-সাধারণ নয়। বিয়ের পর এখন পর্যন্ত মেয়ে বা জামাই প্রিন্স হ্যারির সাথে সাক্ষাৎ পর্যন্ত হয়নি তার। কিন্তু তারপরও নিজের নাতি-নাতনির সাথে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন টমাস।
মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) ব্রিটিশ এক টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে টমাস বলেন, "আমরা এমন একটা জায়গায় পৌঁছেছি যেখানে বাচ্চাদের স্বার্থে আমাদের উচিত সমস্যাগুলো মিটমাট করে ফেলা।"
তিনি আরও বলেন, "বিয়ের প্রায় চার বছর হয়ে গেছে। এখনও এরকম আচরণ করা পাগলামো ছাড়া কিছু নয়।"

বাবা-মায়ের সাথে কিশোরী মেগান
২০১৮ সালে হ্যারি ও মেগানের বিয়ের পর থেকে মেগানের সাথে মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেন টমাস মার্কেল। তাদের প্রথম সন্তান আর্চির বয়স প্রায় দেড় বছর এবং দ্বিতীয় সন্তান লিলিবেটের বয়স চার মাস হয়ে গেলেও তাদের মুখও এখন পর্যন্ত দেখেননি তিনি।
আর্চি ও লিলিবেটের উদ্দেশ্যে টমাস বলেন, "দুই পরিবারই তাদের অনেক ভালবাসে। তারা বড় হয়ে এই দুই পরিবার সম্পর্কে সবকিছু জানতে চাইবে বলেই আমার বিশ্বাস।"
আরও পড়ুন: মাইক্রোসফটের নারী কর্মীদের কুপ্রস্তাব দিতেন বিল গেটস
বিয়ের আগে টমাসের কীর্তিকলাপের জন্য যথেষ্ট বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়েছিলো মেগানকে। বিয়ের আগে আগে সেখানে যোগদানের উদ্দেশ্যে ব্রিটেন যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় টমাসকে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বিয়েতে যাননি তিনি। পরে জানা যায়, পুরোটাই ছিল ভাঁওতাবাজি। মেগানের সৎ বোন সামান্থা মার্কেল তার আত্মজীবনীতে পরে লিখেছেন, বিয়েতে যাওয়ার কোন ইচ্ছাই ছিল না টমাসের।
এরপর থেকেই বেশ কয়েকবার নিজের বাবার প্রতি ক্ষোভ আর অভিমানের কথা গণমাধ্যমের সামনে জানিয়েছেন মেগান।
এই সাক্ষাৎকারেও টমাস দাবি করেন, মেগানের সৎ ভাইবোনের সাথে টমাস যোগাযোগ বন্ধ করে দিক এমনটাই চেয়েছিলেন মেগান। আর তা না করাতেই বাবার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তিনি।
"মেগান আগে ওরকম ছিল না। হ্যারিকে বিয়ে করার পর ও বদলে গেছে", দাবি করেন টমাস।
একাত্তর/এসজে
