অ্যাপোলো অভিযানের ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর ফের চাঁদে মহাকাশযান পাঠাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে 'পেরেগ্রিন' নামের নতুন মহাকাশযানটিতে থাকছে না কোনো নভোচারী।
যানটি তৈরি করেছে মার্কিন বেসরকারি কোম্পানি অ্যাস্ট্রোবোটিক। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন থর্নটন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর ফক্স নিউজের।
বেশ কয়েক বছর আগে মার্কিন ফেডারেল সরকারের মহাকাশ সম্পর্কিত গবেষণা সংস্থা নাসা ‘সিএলপিএস’ নামে একটি কর্মসূচির অধীনে দেশটির বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে চাঁদে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রযুক্তি পাঠাতে অনুমোদন দেয়। বেসরকারি কোম্পানিগুলোর সাথে এ চুক্তির লক্ষ্য হলো, চন্দ্র অভিযানখাতে অর্থনীতির বিকাশ ঘটানো এবং কম খরচে পরিবহন পরিষেবা প্রদান করা।
যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গে অ্যাস্ট্রোবোটিকের অফিসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে থর্নটন বলেন, আমরা এখানে যা করার চেষ্টা করছি তার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো কম ব্যয়ে চাঁদের পৃষ্ঠে উৎক্ষেপণ এবং অবতরণের চেষ্টা করা।
তিনি আরও বলেন, চাঁদের পৃষ্ঠে যাওয়া প্রায় অর্ধেক মিশন সফল হয়েছে। সুতরাং এটি অবশ্যই একটি ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ। আমি এর প্রতিটি পর্যায়ে আতঙ্কিত এবং রোমাঞ্চিত হচ্ছি।
আগামী ২৪ ডিসেম্বর ফ্লোরিডা থেকে মহাকাশযানটির উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে বলে জানান থর্নটন।
উৎক্ষেপণের পর অনুসন্ধান যানটি চন্দ্রের কক্ষপথে পৌঁছাতে ‘কয়েক দিন’ সময় নেবে। তবে অবতরণের চেষ্টা করার আগে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যাতে লক্ষ্যস্থলে আলোর অবস্থা ঠিক থাকে। মানব হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হবে যানটি।
অ্যাপোলো মহাকাশ অভিযান কর্মসূচি বা মিশন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা পরিচালিত একাধিক মহাকাশ অভিযানবিশিষ্ট একটি কর্মসূচির নাম। এই প্রকল্পের অ্যাপোলো ১১ অভিযানের মাধ্যমেই চাঁদে প্রথম মানুষের পদার্পণ ঘটে। মার্কিন রাষ্ট্রপতি জন এফ. কেনেডির পরিকল্পনায় ১৯৬১ সালের ২৫শে মে থেকে এই অভিযান কর্মসূচির শুরু হয়। এই প্রকল্পের পাঁচটি মহাকাশযান চাঁদে সফলভাবে অবতরণ করে।
গাজায় আরও একদিন বাড়লো যুদ্ধবিরতি
জেরুজালেমে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের হামলায় দুইজন নিহত