ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার সিদোয়ারজো শহরে মাদ্রাসা ভবন ধসের ঘটনায় অন্তত এখন পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছে আরো শতাধিক শিক্ষার্থী। এখনও পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেক ছাত্র চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে আল খোজিনি ইসলামিক বোর্ডিং মাদ্রাসার নামাজঘরের ভবন হঠাৎ ভেঙে পড়লে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তখন সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নামাজ পড়ছিল। রাতভর চলা তল্লাশির পর মঙ্গলবার ভোরে আটজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকারীরা জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু মরদেহ দেখা গেছে, ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। প্রায় কয়েকশো উদ্ধারকর্মী, পুলিশ ও সেনা এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন। বিপজ্জনক পরিস্থিতির কারণে ভারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়নি। এর বদলে উদ্ধারকর্মীরা অক্সিজেন ও পানি পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন ভেতরে আটকে থাকা ছাত্রদের কাছে।
দেশটির ন্যাশনাল সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সির প্রধান মোহাম্মদ সাফি আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বলেন, ভবন ধসের ঘটনায় ভুক্তভোগীর সংখ্যা ১০২। কর্তৃপক্ষ বলছে, ভবনটির চতুর্থ তলায় ঢালাইয়ের কাজ চলার সময় মাদ্রাসার ভিত্তি স্তম্ভ ধসে পড়ে; ফলে অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে।
ন্যাশনাল সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সি জানিয়েছিল, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ১০০ জন শিক্ষার্থী এই ধসের শিকার হয়েছে; যাদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকি সবাইকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ ঘটনা এক মাসের কম সময়ের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় দ্বিতীয় ভবন ধসের ঘটনা।
দেশটির কর্মকর্তাদের ভাষ্য, গত ৩ সেপ্টেম্বর পশ্চিম জাভার বোগোর জেলায় কুরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠান চলার সময় একটি কমিউনিটি হল ধসে পড়ে অন্তত তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়।
মহাষ্টমীতে কলকাতার বেলুড় মঠে কুমারী পূজা