ইউরোপের প্রধান দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিরোধিতা করা ৮ মিত্র দেশের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকিকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ বলে নিন্দা জানিয়েছে। ফ্রান্স একধাপ এগিয়ে পাল্টা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব করেছে।
এ অবস্থায় রোববার (১৯ জানুয়ারি) আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার জানিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে ন্যাটোর আটটি সদস্য দেশ। বিবৃতি প্রদানকারী দেশগুলো হলো—ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন এবং যুক্তরাজ্য।
বিবৃতিতে দেশগুলো আর্কটিক নিরাপত্তাকে একটি অভিন্ন ‘ট্রান্সঅ্যাটলান্টিক স্বার্থ’ হিসেবে উল্লেখ করে তা শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এতে বলা হয়, মিত্রদের সাথে ডেনমার্কের পূর্ব-সমন্বিত সামরিক মহড়া ‘আর্কটিক এনডিউরেন্স’ এই নিরাপত্তার প্রয়োজনেই পরিচালিত হচ্ছে এবং এটি কারো জন্য কোনো হুমকি নয়।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, দেশগুলো ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণের সাথে পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার নীতির ওপর ভিত্তি করে তারা যেকোনো সংলাপে অংশ নিতে প্রস্তুত।
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয় যে, ট্যারিফ বা শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রান্সঅ্যাটলান্টিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং এটি সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিপজ্জনক অবনতি ঘটানোর ঝুঁকি তৈরি করে।
নিজেদের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিতভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেশগুলো দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিরোধিতা করায় ট্রাম্প ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ডের পণ্যে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। দেশগুলো ‘নত না হলে’ ১ জুন থেকে এ অতিরিক্ত শুল্ক বেড়ে দাঁড়াবে ২৫ শতাংশে।
ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ড্রোনবৃষ্টি, বিদ্যুৎহীন লাখ লাখ মানুষ!