নাইজেরিয়ার উত্তর-মধ্যাঞ্চলীয় নাইজার রাজ্যে জুমার প্রার্থনার সময় একটি মসজিদে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন মুসল্লিকে অপহরণ করেছে সশস্ত্র বন্দুকধারীরা। সহিংস অপরাধী চক্রের উপদ্রবে জর্জরিত এই অঞ্চলে এটিকে সাম্প্রতিকতম গণ-অপহরণের ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে বোরগু স্থানীয় সরকার এলাকার দেকারা জেলায় অবস্থিত ‘কপেনিয়া মসজিদে’ হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। মসজিদে ঢোকার আগে হামলাকারীরা পাশের গিদান-জিকি এবং কপেনিয়া গ্রামেও তাণ্ডব চালায়।
আবিওদুন এক বিবৃতিতে বলেন, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং অপহৃতদের উদ্ধারে ওই এলাকায় যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে ঠিক কতজন অপহৃত হয়েছেন, সে বিষয়ে পুলিশ নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বোরগু এলাকার দেকারাসহ চারটি পাশাপাশি বসতিতে একই সঙ্গে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়। অধিবাসীরা যখন জুমার নামাজে মগ্ন ছিলেন, ঠিক তখনই বন্দুকধারীরা চড়াও হয়ে ৬০ জনেরও বেশি মুসল্লিকে তুলে নিয়ে যায়।
নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-মধ্যাঞ্চলে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণের দাবিতে এ ধরনের গণ-অপহরণ এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়ভাবে ‘ডাকাত’ নামে পরিচিত ভারী অস্ত্রে সজ্জিত এসব অপরাধী চক্র প্রায়শই বিভিন্ন গ্রাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মহাসড়কে হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে থাকে। বারবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তীব্র চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স-বিবিসি
কেন অল্প বয়সেই মাদকের ফাঁদে শিশু তারকারা?
নতুন নিষেধাজ্ঞার আগেই ইরান-মার্কিন পাল্টাপাল্টি হুঙ্কার!