মার্কিন ডেমোক্রেটিক দলের প্রভাবশালী সিনেটর এবং সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান রবার্ট মেনেনডেজ ঘুষ নেয়ার অভিযোগের পর সাময়িকভাবে নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তার স্ত্রীর বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ রয়েছে।
শুক্রবার সিনেট নেতা চাক শুমার বলেন, "বিষয়টির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত" মেনেনডেজ কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। খবর বিবিসির।
যদিও নিউইয়র্কের এ ডেমোক্র্যাট নেতার দাবি, তার সহকর্মী একজন নিবেদিতপ্রাণ জনসেবক এবং সর্বদা নিউজার্সির জনগণের জন্য লড়াই করছেন।
প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, মেনেনডেজ ও তার স্ত্রী নাদিন নিউজার্সির তিন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সোনার বার ও নগদ অর্থ নিয়ে তাদের নানা সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। এছাড়াও সিনেটর ও তার স্ত্রী গোপনে মিশরের সরকারকে সহায়তা করার জন্য অর্থ নিয়েছিলেন।
এ দম্পতির বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার ষড়যন্ত্র, সৎ পরিষেবা জালিয়াতির ষড়যন্ত্র এবং সরকারি অধিকারের রঙে চাঁদাবাজির অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এর আগে ২০২২ সালের গ্রীষ্মে ফেডারেল এজেন্টরা মেনেনডেজের বাড়িতে অনুসন্ধান চালিয়ে ঘুষ নেয়ার প্রমাণ পেয়েছেন।
জানা গেছে, ঘুষের অর্থ ও সামগ্রী তাদের বাড়ির শৌচাগার ও একটি নিরাপদ স্থানে লুকানো ছিলো। নগদ প্রায় চার লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলারের সাথে পাওয়া গেছে এক লাখ ডলার মূল্যের সোনার বার। এছাড়াও তাদের গ্যারেজে রাখা হোসে উরিবের দেয়া একটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে, ঘুষ নেয়ার দায়ে তাদের নিউ জার্সির বাড়িসহ অধিকাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে।
তবে এবারই প্রথম নয়। ২০১৫ সালেও তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠছিল।
ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পানি নিয়ে বিপাকে জাপান