উত্তরপ্রদেশে বিজেপির লজ্জার কারণ কী

আপডেট : ০৫ জুন ২০২৪, ০৫:১৮ পিএম

ভারতের উত্তরপ্রদেশে বিজেপির ধস নামার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে তুমুল আলোচনা। সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব এবং কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর চমকে ‘মোদি ম্যাজিক’ ব্যর্থ হলো, না কি আরও কোনো কারণ আছে?

হিন্দুত্বের আবেগ উসকে দিয়েও প্রদেশটিতে নরেন্দ্র মোদির দল কেন সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে লজ্জায় পড়লো?

দুই বছর আগে উত্তর প্রদেশের বিধানসভা ভোটে হিন্দু-মুসলিম জনসংখ্যার অনুপাতের স্লোগান দিয়ে মেরুকরণের খেলায় বাজিমাত করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

এ বারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির মূল অস্ত্র ছিলো, ধূলিসাৎ করে দেয়া বাবরি মসজিদের জমিতে গড়ে তোলা রামমন্দির। কিন্তু এসবে কোনো কিছুই কাজ করেনি।

উত্তরপ্রদেশের ৮০টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৭টিতে জিতে একক বৃহত্তম দল হয়েছে সমাজবাদী দল (এসপি)। জোটসঙ্গী কংগ্রেস জিতেছে ছয়টি আসন।

যোগীরাজ্যে বিজেপি জিতেছে ৩৩টি আসন। সহযোগী আরএলডি (রাষ্ট্রীয় লোকদল) দু’টি, আপনা দল (এস) একটিতে। নাগিনা আসনে একক শক্তিতে লড়ে জিতেছেন দলিত সংঘঠন ভীম আর্মির প্রধান আজাদ সমাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রশেখর আজাদ।

এদিকে বারাণসীতে নরেন্দ্র মোদি জিতলেও ভোটে ব্যবধান কমেছে। ২০১৪ সালে তিন লাখ ৭১ হাজার এবং ২০১৯ সালে চার লাখ ৭৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে জেতা মোদি এ বার এক লাখ ৫২ হাজার ভোটে হারিয়েছেন কংগ্রেসের অজয় রাইকে।

অন্য দিকে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী রায়বরেলিতে প্রথম বার লড়ে জিতেছেন প্রায় চার লাখ ভোটে

জাত-পাতের রাজনীতি উত্দরপ্রদেশে নতুন কিছু নয়। ভোটের সময় এই অস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষ ঘায়েল করার চেষ্টা উত্তরপ্রদেশে দুধভাত। অখিলেশ-রাহুল উত্তরপ্রদেশে এই অস্ত্র দিয়ে বিজেপিকে কুপোকাত করেছে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করছে।

এক বিশ্লেষণে আনন্দবাজার পত্রিকা বলেছে, উত্তরপ্রদেশে চিরাচরিত জাতপাতের অঙ্কের পাশাপাশি ভোটের প্রচারে এ বার মোদি আমলের বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প, জাতগণনা এমনকি, যোগীর বুলডোজার নীতি এবং জেল হেফাজতে সংখ্যালঘু নেতা আতিক আহমেদ, মুখতার আনসারির মৃত্যুকেও নিশানা করেছিলো বিরোধী শিবির।

এসপির যাদব-মুসলিম সমীকরণের পাশাপাশি জোট নিশানা করেছিলো বিজেপির ঝুলিতে চলে যাওয়া অ-যাদব অনগ্রসর (ওবিসি) এবং অ-জাটভ দলিতদের।

কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ‘ইন্ডিয়া’র প্রচারে বলা হয়েছিলো, ৪০০ আসন নিয়ে মোদি ক্ষমতায় ফিরলে ওবিসি-দলিতদের সংরক্ষণে হাত পড়বে। সংবিধানে তাদের যে অধিকার দেয়া আছে সেটা মুছে ফেলা হবে বলেও অভিযোগ ছিলো অখিলেশ শিবিরের।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই প্রচারণা ভোটের মাঠে বাজতে থাকলেও তা কানে তোলেননি, মোদি-অমিত শাহ-আদিত্যনাথের দল।

ইকনোমিক টাইমস বলছে, প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্রের একচ্ছত্র মতামত এবং স্থানীয় নেতাদের মতামত কানে না তোলার জন্যও উত্তরপ্রদেশে লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপিকে।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ভোটের মাঠে মোদি ভূয়সী প্রশংসা করলেও যোগী যে সংখ্যালঘু, অন্য জাতের মানুষদের থেকে দূরে চলে গিয়েছিলেন সেটা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বুঝতে পারেনি। তবে এবার যোগীকে সংখ্যালঘুর সঙ্গে দূরত্ব ঘোঁচাতে কাজ করতে হবে। না হলে সামনের দিনগুলো শুধু যোগী নয় বিজেপির জন্য আরও কঠিন হবে।

‘বাঁটে তো কাটে’ অর্থাৎ ভাগ হলে শক্তি হারাবে-এমন স্লোগান দিয়ে ভোট ভাগাভাগি বন্ধের কথা প্রচারসভা থেকে শুরু করে সব জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলো অখিলেশরা। অভিযোগ করেছিলেন, মায়াবতীর দল বিজেপির ‘বি টিম’-এর ভূমিকা নিয়েছে।

উত্তরপ্রদেশের মতো জটিল রাজনৈতিক সমীকরণের জায়গায় মোদি-আদিত্যনাথ হিন্দু ভোট এক জায়গায় আনতে পারেনি। যদিও রামমন্দির নির্মাণ, কাশী বিশ্বনাথ ধাম সংস্কার, মথুরায় কৃষ্ণ জন্মভূমিতে মন্দির নির্মাণের প্রচারণা ছিলো তুঙ্গে। বিভিন্ন জাতের সংখ্যালঘুদের কাছে যোগী পৌঁছাতে পারেনি বলেও অনেক বিশ্লেষক বলছেন। হিন্দুত্বের আবেগ উসকে দিতে ২২ জানুয়ারি মোদির রামমন্দির উদ্বোধনের ছবি তুলে ধরেছিলো বিজেপি। সঙ্গে ছিলো জোড়া প্রতিশ্রুতি- বারাণসীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরার শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমিতে মন্দির ‘প্রতিষ্ঠা’র। অযোধ্যার মতোই ওই দুই জমি বিতর্কও এখন আদালতে বিচারাধীন।

জোটের রাজনীতিতে পিছিয়ে ছিল না বিজেপিও। এনডিএর পুরনো শরিক অনগ্রসর কুর্মি জনগোষ্ঠীর দল ‘আপনা দল (এস)’ এর পাশাপাশি জাতপাতের অঙ্ক মেনে মোদী-শাহেরা টেনে এনেছিলেন আরও কয়েকটি দলকে। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের জাঠ নেতা জয়ন্ত চৌধুরীর আরএলডি, পূর্ব উত্তরপ্রদেশে মৎস্যজীবী ও মাঝি-মাল্লা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করা নিষাদ পার্টি এবং রাজভড় জনগোষ্ঠীর নেতা ওমপ্রকাশ রাজভড়ের ‘সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি’ (এসবিএসপি) ছিল এই তালিকায়। বিজেপি ৭৫, এসবিএসপি একটি এবং বাকি দু’টি দল দু’টি করে আসনে প্রার্থী দিয়েছিলো।

যোগী আদিত্যের আমলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিও বিজেপি নেতাদের প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলো। তাদের দাবি ছিলো, ‘মির্জাপুর পরিস্থিতি’ এখন শুধু ওয়েব সিরিজ়েই দেখা যায়, বাস্তবে নয়। এমনকি, পশ্চিমবঙ্গে ভোটের প্রচারে এসেও যোগী বলেছিলেন তার রাজ্যে রামনবমীর মিছিলে হামলা হলে দোষীদের সম্পত্তি তিনি বাজেয়াপ্ত করতেন।  

ভারতেকে সবচেয়ে বেশি প্রধানমন্ত্রী উপহার দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ। জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, চৌধুরী চরণ সিংহ, রাজীব গান্ধী, ভিপি সিংহ, চন্দ্রশেখর- সংখ্যাটা কম নয়। অটলবিহারী বাজপেয়ী লখনউ থেকে জিতেই প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। এক দশক আগে নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রিত্ব দিতে এই রাজ্যের ভূমিকা ছিলো সবচেয়ে বেশি। সে বার বারাণসীর পাশাপাশি গুজরাতের বরোদা থেকে জিতলেও পরবর্তী সময়ে তীর্থস্থান কাশীকেই বেছে নিয়েছিলেন মোদি।

২০১৪’র লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশ কার্যত বিরোধীশূন্য হয়ে গিয়েছিলো। ৮০টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৭৩টিতেই জিতেছিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। তার মধ্যে বিজেপি একাই ৭১টিতে। সমাজবাদী পার্টি (এসপি) পাঁচটি এবং কংগ্রেস দুটি আসনে পেয়েছিলো।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতীর দলের হাল হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের বাম-কংগ্রেসের মতো শূন্য। ২০১৯ এ বিজেপিকে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিলো অখিলেশ যাদব এবং মায়াবতীর জোট। উত্তরপ্রদেশের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ‘বুয়া-বাবুয়া’ রূপে অবতীর্ণ হয়ে জিতছিলেন ১৫টি আসন। পুলওয়ামা সন্ত্রাস এবং তার ‘জবাবে’ পাকিস্তানের বালাকোটে জঙ্গিশিবিরে ভারতীয় বিমানবাহিনীর অভিযান ঘিরে গোবলয়ের অন্যত্র বিজেপি অনায়াসে জিতলেও আংশিক ব্যতিক্রম ছিলো উত্তরপ্রদেশ। এসপি-বিএসপির জোট অবশ্য তার কয়েক মাস পরেই ভেঙে যায়।

২০১৯ এর ভোটে উত্তরপ্রদেশে একা লড়ে ধরাশায়ী হয়েছিলো কংগ্রেস। ৬ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট পেয়ে জিতেছিলো একমাত্র রায়বরেলিতে। সোনিয়া গান্ধীর আসনে। কিন্তু আমেথিতে স্মৃতি ইরানির কাছে হেরেছিলেন রাহুল গান্ধী।

এবারের ভোটে উত্তর প্রদেশের রাজনীতিতে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হয়ে যাওয়া সেই কংগ্রেসের সঙ্গেই সমঝোতা করেন অখিলেশ। ৮০টি আসনের মধ্যে ৬২টিতে প্রার্থী দিয়ে ১৭টি ছেড়েছিলেন রাহুল-মল্লিকার্জুন খড়গের দলকে। একটি আসন (পূর্ব উত্তরপ্রদেশের ভদোহী) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূলকে দেওয়া হয়েছিলো। যা নিয়ে কটাক্ষও করেছিলেন মোদি ভদোহীতে প্রচারে গিয়ে যা নিয়ে খোঁচা দিয়ে বলেছিলেন, ‘বাবুয়া এ বার উত্তরপ্রদেশের বুয়ার (মায়াবতী) সঙ্গ ছেড়ে বাংলার বুয়ার (মমতা) সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।’

ভদোহীতে মমতার দল প্রার্থী করেছিল প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমলাপতি ত্রিপাঠীর পৌত্র ললিতেশ পতিকে। কিন্তু ৪৪ হাজার ভোটে হেরেছেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গে গত বিধানসভা ভোটে রাজ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ে কংগ্রেস-সিপিএমের যে হাল হয়েছিল, উত্তরপ্রদেশের মায়াবতীও সে ভাবে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হয়ে যাবেন বলে পূর্বাভাস ছিলো বুথফেরত সমীক্ষায়।

প্রায় ৯ শতাংশ ভোট পেলেও একটি আসনেও জয় পাননি মায়াবতী।  তার দলের এই বিপর্যয়ের সুফল পেয়েছে ‘ইন্ডিয়া’ জোট।

বিরোধীদের বিরুদ্ধে প্রচারে বিজেপির হাতিয়ার ছিল ‘পরিবারতন্ত্র’। অখিলেশ, ডিম্পলসহ প্রয়াত মুলায়মের পরিবারের পাঁচ জনের এসপির টিকিট পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন খোদ মোদি। খোঁচা দিয়েছিলেন ২০১৯-এ স্মৃতির কাছে হারার পর আমেথি ছেড়ে রায়বরেলিতে রাহুলের চলে যাওয়া নিয়েও।

তবে ভোটে জিততে মরিয়া বিজেপি বিতর্কিত নেতা এবং তাদের পরিবারকে কাঠে টানতে পিছপা হয়নি। সাম্প্রদায়িক সহিংসায় অভিযুক্ত সঞ্জীব বালিয়ানকে মুজাফফরনগর থেকে টিকিট দেয়া হয়েছিলো।

আনন্দবাজার বলছে, কৃষিআইন বিরোধী বিক্ষোভকারী চার কৃষককে গাড়ির চাকায় পিষে দেয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত আশিস মিশ্রার পিতা অজয় টেনিকে ব্রাহ্মণ ভোটের অঙ্ক মাথায় রেখে আবার লখিমপুর খেড়িতে প্রার্থী করা হয়েছিলো। এমনকি, মহিলা কুস্তিগিরদের নিপীড়নে অভিযুক্ত কাইসারগঞ্জের এমপি ব্রিজভূষণ সিংহকেও বঞ্চিত করা হয়নি। সেখানে পদ্ম প্রতীক দেওয়া হয় তার ছেলে কারাণ ভূষণকে। কারাণ জিতলেও হেরেছেন বাকি দু’জন।

 

 

কেএসএইচ
বিয়ের সানাই বাজছিল ঠিকঠাক, কাজিও কবুল পড়িয়ে দিয়েছিলেন অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে। কিন্তু আসল টুইস্টটা জমা ছিল দুপুরের খাবারের টেবিলের জন্য! পাতে খাসির মাংসের বদলে কেন মুরগির মাংস পরিবেশন করা...
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নাটকীয় মোড়। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির এবার তৃণমূলের চেয়ারম্যান পদ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সরিয়ে দিলো।
ভারতের ছাত্র-যুবদের কর্মসংস্থান এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি এবার এক অদ্ভুত ও নজিরবিহীন রূপ নিল দিল্লির বুকে। সপ্তাহজুড়ে খবরের শিরোনামে থাকার পর, আজ শনিবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির রাজপথে...
বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজয়ের মাত্র এক মাসের মধ্যেই কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। গত মঙ্গলবার কলকাতার রাস্তায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না...
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার বিদেশে পাচার করা অর্থ ব্যবহার করে দেশকে আবারও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু।
জনপ্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পূর্ণ রাজনৈতিক পক্ষপাতমুক্ত থেকে দেশপ্রেম, সততা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া বন্দি মোছা. রিম্পাকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। 
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর