‘শাওমি’ শুনলেই প্রথমে মাথায় আসে হাতের নাগালে দাম, এমন এক স্মার্টফোন যাতে অনেক ফিচার আছে। চীনা এই টেক জায়ান্ট এবার নিয়ে এল চার চাকার গাড়ি।
তবে, পেট্রল-ডিজেল চলা গাড়ি নয়, ইলেকট্রিক গাড়ি। আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে বিশ্ববাজারে টেসলা ও পোর্সেকে টেক্কা দেয়ার আশাও করছে কোম্পানিটি।
লঞ্চ হয়ে গেল শাওমির বৈদ্যুতিক গাড়ি এসইউ সেভেন। মোবাইল ফোনের জন্য বিশ্বখ্যাত ব্রান্ড শাওমির গাড়ি বানানোর আলোচনা অনেক দিন ধরেই গ্লোবাল টেক মিডিয়ার টপ টপিক।
এবার এর দাম ঘোষণা আর বিক্রি শুরুর অপেক্ষায় সবাই। স্পোর্টস কার যাঁরা ভালবাসেন এই গাড়ি তাদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠতে পারে। মোট তিনটি ভ্যারিয়েন্টে আসবে এই ই-সেডানটি।

দাবি করা হচ্ছে, একবার ফুল চার্জ দিলে এই গাড়ি ৮০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পারবে। গাড়ির ভেতরে বাইরে ডিজাইনও চোখ ধাঁধানো।
হাই রিজোলিউশন ক্যামেরা, লিডার, আল্ট্রাসোনিক এবং রাডার ব্যবহার করে অটোনোমাস ড্রাইভিং ফিচার থাকবে গাড়িটিতে । স্পেস যুগের অনুভূতি পেতে পারেন গাড়িটির চালক।
এছাড়া শাওমির জনপ্রিয় ফোন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত অপারেটিং সিস্টেমের কারণে এসইউ সেভেন গাড়িটি বেশি গ্রাহক আকর্ষণ করবে বলে ধরনা করা হচ্ছে।
এর চালক শাওমির মোবাইল অ্যাপগুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন অ্যাক্সেস পাবেন। এছাড়া গাড়িটি নিম্ন তাপমাত্রায়ও দ্রুত চার্জ হওয়ার ক্ষমতা রাখে। এমনকি সড়কের যে কোন বাধা শনাক্তও করতে পারবে এই ই-কার।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল বাজারে চীনা টেক জায়ান্ট শাওমির প্রবেশ প্রযুক্তি খাতে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
অন্যান্য পণ্যের মতো শাওমি ইলেকট্রিক কারেও ব্যবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় ও স্বল্পমূল্যের ফিচার সংযুক্ত করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
লুক ও পারফরম্যান্সের দিক থেকে বাজারে প্রচলিত গাড়িগুলোকে টেক্কা দেবে এটি। শাওমির এই গাড়িটির দাম ২ থেকে ৩ লাখ ইউয়ানের মধ্যে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যা টেসলা ও পোর্সের দামের তুলনায় অনেক কম। যদিও শাওমি এখনও এসইউ ৭ এর দাম নিয়ে কিছু জানায়নি।
