দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ার ফেরিরুটের দৌলতদিয়া প্রান্তে পারাপারের অপেক্ষায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের সারি সৃষ্টি হয়েছে।
অপেক্ষায় থাকা এসব যানবাহনের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা বেশি। ঈদের তিন দিন আগে ট্রাক পারাপার বন্ধ হয়ে যাবার ঘোষণায় প্রতিদিনই ঘাটে ট্রাকের সংখ্যা বাড়ছে।
ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বাংলাদেশ হ্যাচারি পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আটকে পড়েছে ফেরিপারের অপেক্ষায় থাকা শত শত পণ্যবাহী যান।
এর মধ্যে দুই কিলোমিটার রয়েছে যাত্রীবাহী বাসের সিরিয়াল। প্রচণ্ড রোদে খোলা আকাশের নিচে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সিরিয়ালে আটকা পড়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন গাড়ির চালক, সহযোগী ও যাত্রীরা।
এক ট্রাকচালক বলেন, চুয়াডাঙ্গা থেকে চাল নিয়ে ঢাকার কারওয়ান বাজার যাচ্ছি। আট ঘণ্টারও বেশি সময় হয়ে গেল ঘাট এলাকায় এসে আটকে আছি।
ঢাকাগামী এক বাসের যাত্রী জানান, অসুস্থ বাবাকে ডাক্তার দেখাতে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। দুপুর ডাক্তারের সিরিয়াল দেয়া আছে। কিন্তু ঘাট এলাকায় যানজটের কারণে তিন ঘণ্টা ধরে একই জায়গায় বাস দাঁড়িয়ে আছে। আদৌ ডাক্তার দেখাতে পারবেন কিনা জানেন না তিনি।
আরও পড়ুন: শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
বিআইডব্লিটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন জানান, দক্ষিণাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা যানবাহনের বাড়তি চাপে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে এনজিও কেকেএস মোড় পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় যানজট রয়েছে।
তিনি জানান, দুইটি ফেরি মেরামতে আছে। গাড়ির চাপ সামলাতে বর্তমানে ১৮টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। কাঁচামাল, ফলের ট্রাক, ছোট গাড়ি ও যাত্রীবাহী বাস অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নদী পার করা হচ্ছে। বিকালের মধ্যে যানবাহনের চাপ কমে আসবে।
