দেশের বিভিন্ন জেলায় ঝড়োহাওয়াসহ বৃষ্টি হয়েছে। বজ্রপাতে হয়েছে মৃত্যুও। এছাড়া ঝোড়ো হাওয়ার কারণে নদীবন্দরে দেয়া হয়েছে সতর্ক সংকেত।
তীব্র তাপপ্রবাহের পর বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। তবে, শনিবারের বৃষ্টিতে বজ্রপাতের ঘটনায় বাগেরহাটের শরণখোলায় দুই শ্রমিকসহ বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আহতও হয়েছেন কয়েকজন।
জানা যায়, শরণখোলার চালরায়েন্দা গ্রামের বান্দাঘাটা এলাকায় কাজ করছিলেন ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিক। এসময় বৃষ্টি নামলে তারা দ্রুত পাশের একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘরে আশ্রয় নেয়। সেখানে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই ওই দুইজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও ছয়জন।
অবশ্য আহত ছয়জনের অবস্থা এখন শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন শরণখোলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক টিএইচও প্রিয়গোপাল।
এছাড়া চুয়াডাঙ্গার পাটাচোরা গ্রামে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা গেছেন কৃষক আহমেদ মল্লিক। একই সময় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন ঝাঁঝরি গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের এক বাসিন্দাও।
ভোলায় সকালে ঝড় বাতাসের সাথে বৃষ্টি শুরু হয়। এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে কমেছে জেলার তাপমাত্রা। এতে গরম থেকে রেহাই পেয়েছে সাধারণ মানুষ।
জেলার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি আরও দুই থেকে তিন দিন থাকবে।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে কখনো হালকা, কখনো মাঝারি বৃষ্টির সাথে বজ্র বৃষ্টি হয়েছে সকালে। এসময় পটুয়াখালী নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার থেকেই মেঘলা আবহাওয়া ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ছিলো জেলায়।
অতিথি পাখির সঙ্গে ৪০ বছর