শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গোমড়া গ্রামটি এখন পরিচিত ‘সবজি গ্রাম’ নামে। গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবারই বিভিন্ন সবজি আবাদের ওপর নির্ভরশীল।
এখানকার উৎপাদিত সবজি চলে যায় ঢাকাসহ দেশের অনেক এলাকায়। তবে স্থানীয়রা বলছেন, রাস্তা-ঘাটসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় সবজির ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না তারা।
ক্ষেতের পর ক্ষেত জুড়ে শুধু সবজি বাগান। গারো পাহাড়ের জেলা শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গোমড়া গ্রামটির যেদিকে চোখ যায় শুধুই সবজি ক্ষেত।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগেও এ এলাকায় বহু জমি পতিত পড়ে ছিলো। কিন্তু এখন গ্রামের সব মানুষই নিজের কিংবা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে বরবটি, কাঁকরোল, ধুন্দুল, লাউসহ বিভিন্ন সবজি চাষাবাদ করছেন। যদিও এসব ক্ষেতে গরম ও শীতের আগাম সবজি বেশি আবাদ করেন স্থানীয়রা।
এখানকার উৎপাদিত সবজির মান ভালো হওয়ায় স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। তবে চাষিদের অভিযোগ, গ্রামের রাস্তা-ঘাট কাঁচা থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারেই নাজুক। যে কারণে সবজির ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, সবজি চাষিদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ুন দিলদার বলেন, এই সবজি কৃষক সরাসরি ঢাকার বাজারে পাঠিয়ে দেয়। তারা দামও পাচ্ছে। আমি মনে করি অন্যান্য কৃষি উদ্যোক্তা জমি ফেলে না রেখে এই মৌসুমে আবাদ করে তাহলে অবশ্যই লাভবান হবে।
গোমড়া গ্রামের চারশ একর জমিতে সবজি চাষ করে সংসার চলে পাঁচশর বেশি পরিবারের।
কাপ্তাই হ্রদে পানির সঙ্গে বাড়ছে বিদ্যুতের উৎপাদন