ইউক্রেনীয় বাহিনীর হাতে ধরা পড়া উত্তর কোরিয়ার এক আহত সেনা মারা গেছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার গুপ্তচর সংস্থার একটি বিবৃতি উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ এ খবর দিয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে পিয়ংইয়ং বাহিনী মোতায়েন করার পর, এই সেনাকে উত্তর কোরিয়ার প্রথম ‘যুদ্ধবন্দি’ বলে মনে করা হচ্ছিলো।
দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএস জানিয়েছে, একটি মিত্র গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ওই সেনা ‘গুরুতর আঘাতের’ কারণে মারা গেছেন। ইউক্রেনীয় বাহিনী ওই সেনাকে আটক করেছে, এমন একটি ছবি টেলিগ্রামে ছড়িয়ে পড়ার পর এই খবর নিশ্চিত করে ওই সংস্থাটি।
দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়োনহাপ সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্মে ওই আহত উত্তর কোরিয়ার সেনার একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তাকে মলিন চেহারা ও আহত অবস্থায় দেখা গেছে। রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বিশেষ বাহিনী ওই সেনাকে আটক করে। তবে কখন এই ঘটনা ঘটেছে, তা উল্লেখ করা হয়নি।
এ বিষয়ে ইউক্রেন বা উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য আসেনি। রাশিয়ার পক্ষ থেকেও কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেয়া হয়নি। ইউক্রেন সরকারিভাবে কোরীয় সেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি।
কিয়েভ এবং সিউল জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার সাহায্যের জন্য ১০ হাজারের বেশি সেনা পাঠিয়েছে। তবে মস্কো-পিয়ংইয়ং উভয়ই সেনাদের উপস্থিতি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। তবে, সম্প্রতি প্রকাশিত কিছু ছবি নিশ্চিত করেছে, রুশ কমান্ডের নির্দেশে ব্যাপক সংখ্যক উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
ইউক্রেনীয় বাহিনী জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ান সেনাদের ভুয়া রাশিয়ান পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে, আর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত সপ্তাহে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন যেখানে রাশিয়ান সেনাদের মৃত উত্তর কোরিয়ানদের মুখ পুড়িয়ে তাদের পরিচয় লুকানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
ইউক্রেন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, রাশিয়ায় মোতায়েনকৃত সেনাদের বেশিরভাগই উত্তর কোরিয়ার ১১তম কর্পস থেকে নেওয়া হয়েছে। এটি স্টর্ম কর্পস নামেও পরিচিত। এই ইউনিট অনুপ্রবেশ, অবকাঠামো ধ্বংস ও হত্যার জন্য প্রশিক্ষিত।
দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হানও অভিশংসিত
সূর্যের সবচেয়ে কাছে পৌঁছে গেলো নাসার যান!