টানা তিন দিনে ইরানের ১৭০টির বেশি লক্ষ্যবস্তু এবং ৭২০টি সামরিক অবকাঠামোতে হামলার দাবি করেছে, ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। এরমধ্যে তেহরানে কমপক্ষে ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে শনিবার রাতভর হামলায় ডজনখানেক যুদ্ধবিমান অংশ নেয়। এনিয়ে ইরানে টানা তৃতীয় দিন হামলা চালালো ইসরাইল।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসি জানিয়েছে, কয়েক ডজন ইসরাইলি যুদ্ধবিমান দিয়ে শনিবার রাতে ইরানের রাজধানী তেহরানে কমপক্ষে ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর, সামরিক বাহিনীর গবেষণা ও উন্নয়ন শাখাসহ ইউনিট এবং লুকিয়ে রাখা ইরানি সরকার পারমাণবিক সংরক্ষণাগার রয়েছে বলে দাবি করছে আইডিএফ।

রয়টার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, একজন সামরিক কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে দুটি জ্বালানি তেল শোধনাগার অন্তর্ভুক্ত ছিলো, যা সামরিক ও পারমাণবিক উভয় অভিযানের জন্য ব্যবহৃত হত। আইডিএফ জানিয়েছে, তারা তাদের অপারেশন রাইজিং লায়নের অংশ হিসেবে তিন দিনেরও কম সময়ে ১৭০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তু এবং ৭২০টি সামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইসরাইলি বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর জন্য ইরানকে খুব চড়া মূল্য দিতে হবে। বাত ইয়ামে একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার স্থানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতানিয়াহু এটিকে বেসামরিক নাগরিক, নারী ও শিশুদের পূর্বপরিকল্পিত হত্যা বলে অভিহিত করেন এবং বলেছেন যে, ইরান ইসরাইলের জন্য এই হামলা অস্তিত্বগত হুমকি।
নিহতদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করে নেতানিয়াহু বলেন, আমার সরকারের হৃদয় পরিবারের সাথে রয়েছে এবং জনগণকে কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নির্দেশাবলি অনুসরণ করার আহবান জানান। এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান হামলায় আমেরিকার সহায়তা চেয়েছেন তিনি। হোয়াইড হাউস সূত্রে জানা গেছে, ইরান হামলা প্রতিরোধে ইসরাইলি সেনাবাহিনীকে সহায়তা দেয়ার কথা ভাবছে আমেরিকা।
ইরান-ইসরাইলের পাল্টাপাল্টি হামলা চলছেই
ইরানে মোসাদের দুই এজেন্ট গ্রেপ্তার 