করোনার মহামারী ভাগ্য বদলে দিয়েছে লালমনিরহাটের কম্পিউটার প্রকৌশলী মাসুদ রানার। শহর ছেড়ে নিজ গ্রামে ফিরে মাচা পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে সাড়া ফেলেছেন তিনি।
বছর ঘুরতেই দেখেছেন সফলতার মুখ। এখন তাকে দেখে উৎসাহিত হয়েছেন জেলার অনেক মানুষ। তিনিও পথ দেখাচ্ছেন জেলার অনেক যুবককে।
সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ রানা। কম্পিউটার সাইন্সে পড়াশুনা করে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতেন।
২০১৯ সালের শেষের দিকে করোনা ভাইরাস মহামারীর শুরুতেই লকডাউনে চাকরি হারিয়ে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ফিরে আসেন নিজ গ্রামে।
বাবার দেয়া এক টুকরো পতিত জমিতে মাচা পেতে, ৮টি বেড ১৬টি ক্যানেলে শুরু করেন উন্নত জাতের তরমুজ চাষ। খরচ হয় ১৩ হাজার টাকা।
এরপর চার ধাপে তরমুজ বিক্রি করেন ২০ হাজার টাকা। এখনো ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার তরমুজ রয়েছে গাছে।
এমন পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ লাভজনক হওয়ায় তার জমি দেখতে আসেন অনেকেই। তরমুজ কিনে নিয়ে যায় জেলার বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা।
আরও পড়ুন: চক্রের কারণে ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না পঞ্চগড়ের চা চাষিরা
স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, বাড়ির চারপাশে জমি পতিত ফেলে না রেখে বিভিন্ন সবজি আর ফসলের চাষে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, মাচা পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্ষা মৌসুমেও এ পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করা যাবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।
একাত্তর/এসজে
