দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে পাঁচ কোটি টাকার কন্টেইনার স্ক্যানার তিন মাস ধরে অকেজো হয়ে পড়েছে। এতে বন্ধ রয়েছে আমদানি পণ্য বোঝাই ট্র্যাকে স্ক্যানিং। ফলে আমদানি করা পণ্যের ভেতরে নিষিদ্ধ পণ্য আছে কি না তা যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না।
পোর্ট সূত্র জানায়, চীনের একটি কোম্পানি ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে কন্টেইনার স্ক্যানারটি স্থাপন করে। এরপর দেশটির ইঞ্জিনিয়ার তিন মাস কাস্টমস অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেন। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে এটি বিকল হয়ে পড়ে। তারপর থেকে মেশিনটি চালু করতে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এনবিআরে একাধিকবার চিঠি দিয়েছে। কিন্তু আজও তা চালু হয়নি।
সূত্রটি জানায়, পণ্য দ্রুত খালাশে মেশিনটি বাসানো হয়েছে। মেশিনটি ট্রাকের পণ্য ছবি আকারে স্ক্যান করে কম্পিউটারে ধারন করে রাখে। কোনো অনিয়ম দেখলেই স্ক্যানার রেড সিগনাল দেয়। যে সব পণ্য স্ক্যান হয় সেগুলো আর পরীক্ষার দরকার হয়না।

অত্যাধুনিক মেশিনটি রাসায়নিক, মাদক, অস্ত্রসহ মিথ্যা ঘোষণার পণ্য শনাক্ত করতে সক্ষম। চীনা ইঞ্জিনিয়ার চলে যাওয়ার পর মেশিনটি পরিচালনার দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাইবার অ্যাসোসিয়েটস।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল বলেন, অতি দ্রুত এই স্ক্যানার সচল করা দরকার।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম বলেন, আমরা কন্টেইনার স্ক্যানার মেরামতের জন্য একাধিকবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে চিঠি দিয়েছি। আশা করি এটি দ্রুত মেরামত করা হবে।
পণ্যবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ৫১