গত কয়েকদিন যাবত দেশজুড়ে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। নামতে শুরু করেছে বিভিন্ন এলাকার তাপমাত্রার পারদ। বিভিন্ন জায়গায় পারদ তিন ডিগ্রি পর্যন্ত নামার খবর পাওয়া গেছে। অনেক এলাকায় সূর্যের দেখা নেই সপ্তাহব্যাপী। শীত সবচেয়ে বেশি ভুগছে উত্তরের জেলাগুলো। তার মধ্যে পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, নওগাঁ, দিনাজপুর অন্যতম।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে।
পঞ্চগড়
পঞ্চগড়ে দশম দফায় আবারও বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। তবে তাপমাত্রা ওঠানামা করলেও অব্যাহত রয়েছে শীতের তীব্রতা। টানা এক সপ্তাহ মেঘাচ্ছন্ন আকাশ আর কুয়াশায় ঢেকে আছে গোটা জেলা। সেই সঙ্গে বইছে ঠাণ্ডা বাতাস। দিন গড়িয়ে গেলেও দেখা মিলছেনা সূর্যের মুখ। তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ।
এদিন তেঁতুলিয়া তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কুড়িগ্রাম
শনিবার কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীত ও কনকনে ঠাণ্ডায় দুর্ভোগ বেড়েছে উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামের মানুষের। এই অঞ্চলে ছয় দিন ধরে দেখা নেই সূর্যের।
নীলফামারী
শীতের দাপট বেড়েই চলেছে হিমালয়ের পাদদেশের জেলা নীলফামারীতে। শনিবার জেলায় সর্বনিম্ন ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত জেলাজুড়ে থাকছে ঘন কুয়াশা। চার দিন পর সূর্যের দেখা মিললেও ছিলনা রোদের তেজ।
আকাশে ঘন মেঘ থাকায় প্রয়োজনীয় দৃষ্টিসীমা না মেলায় ব্যাহত হচ্ছে সৈয়দপুর বিমান বন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামা।
তবে বেলা ১২টার পর আকাশে প্রয়োজনীয় দৃষ্টিসীমা মেলায় স্বাভাবিক হয় সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামা। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আকাশ পথে সৈয়দপুর-ঢাকা-সৈয়দপুর রুটে যাত্রীদের মাঝে।
এর আগে শুক্রবার জেলার সৈয়দপুরে জেলায় সর্বনিম্ন ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।
গাইবান্ধা
গাইবান্ধায় তিন দিন পরে সূর্যের দেখা মিলেছে। তবে কিছুক্ষণ পর পর তা মেঘ ও কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে। ফলে কমছে না শীতের দাপট।
শনিবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত কালের চেয়ে ৩ ডিগ্রি কম।
এদিকে সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া কুয়াশা চারপাশ ঢেকে থাকছে দুপুর পর্যন্ত। রাতভর ঝরছে বৃষ্টির মতো। ফলে শীতে দুর্ভোগে পড়েছেন এ এলাকার মানুষ।
