মাঘ মাসের অর্ধেকটা শেষ হয়েছে গেছে। আর ঠিক এই সময়ে চলে যাওয়ার আগে দেশজুড়ে জেঁকে বসেছে শীত। দেশের বিভিন্ন এলাকার তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী। সকাল গড়িয়ে গেলেও সূর্যের মুখ দেখছেন না অধিকাংশ এলাকার মানুষ। অনেক জায়গায় বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। আর তাতেই যবুথবু বৃদ্ধ ও শিশুরা। হাসপাতালে ভিড়ও বাড়ছে। বরাবরের মতোই শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে উত্তরের মানুষ ও প্রাণিকুল।
পঞ্চগড়
পঞ্চগড়ে টানা তিন দিন থেকে বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। বেড়েছে শীতের তীব্রতাও। এমন অবস্থায় শীতজনিত কারণে হাসপাতালে বাড়ছে রোগী। ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। রোগীর চাপে বেড না পেয়ে বারান্দায় ঠাঁই হচ্ছে অনেকের। এতে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা ৯ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা এদিন দেশের সর্বনিম্ন।
নওগাঁ
ঘন কুয়াশায় ঢেকে রয়েছে নওগাঁ জেলা। সঙ্গে রয়েছে তীব্র শীত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে নওগাঁ কুয়াশায় ঢেকে আছে। আর সন্ধ্যা থেকে অনুভূত হচ্ছে তীব্র শীত। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকেও সূর্যের দেখা না মেলায় দূরপাল্লার যানবাহন চলছে ধীর গতিতে।
এদিকে শীতের কারণে পথচারীরা কম চলাচল করায় রাস্তাঘাট অনেকটা ফাঁকা। বৃষ্টির মতো শিশির পড়ে শিশির পড়ে রাস্তাঘাট ভিজে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
শনিবার সকালে নওগাঁর বদলগাছী আবহাওয়া অফিসে ১০ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা বৃহস্পতিবারের চেয়ে দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কম।
