আরও সাত হাজার দ্বীপের খোঁজ পেয়েছে জাপান। ডিজিটাল ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে দেশটির জিও স্পেশিয়াল ইনফরমেশন অথোরিটি (জিএসআই) এই নতুন দ্বীপগুলোর সন্ধান পায়। এসব দ্বীপের অবস্থান জাপানের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যেই।
নতুন সাত হাজার দ্বীপের খোঁজ পাওয়াতে জাপানে এক ধাক্কায় মোট দ্বীপের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেগে গেলো। বর্তমান দেশটির দ্বীপের সংখ্যা ১৪ হাজার ১২৫টি। এতোদিন পর্যন্ত জাপানে দ্বীপের সংখ্যা সরকারিভাবে ছিলো ছয় হাজার ৮৫২টি।
দ্বীপ খুঁজতে নির্দিষ্ট কোনো আন্তর্জাতিক নিয়ম বা চুক্তি নেই। নতুন দ্বীপ খুঁজতে ৩৫ বছর আগের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে সমুদ্রবক্ষে ১০০ মিটার পরিধির যে কোনো প্রাকৃতিক ভূখণ্ডকে দ্বীপ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এভাবেই সাত হাজার নতুন দ্বীপ পেয়েছে জাপান।
জিএসআই ধারণা করছে, নতুন দ্বীপগুলোতে জনবসতি পাওয়া যাবার সম্ভবনা খুবই কম। তবে সেখানে নতুন ধরনের প্রাণী বা আদিম মানুষের খোঁজ পাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। এ কারণে খুব শিগগিরই এসব দ্বীপে জরিপ চালাবে জাপানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জিএসআই বলেছে, নতুন দ্বীপের এই সংখ্যা জরিপ প্রযুক্তিতে অগ্রগতি ও গণনার জন্য ব্যবহৃত মানচিত্রের বিশদ প্রতিফলন ঘটিয়েছে। তবে নতুন এতগুলো দ্বীপ পাওয়া গেলেও এতে জাপানের ভূ-ভাগের সামগ্রিক অঞ্চল বেড়ে যায়নি। দ্বীপগুলোর বিস্তারিত তথ্য এতদিন পর হাতে এসেছে।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডায় মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবায় আক্রান্ত একজনের মৃত্যু
এছাড়া, বিতর্কিত সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ নিয়েও চীনের সঙ্গে বিবাদ রয়েছে জাপানের। গত বছর দ্বীপপুঞ্জটির কাছে ঢুকে পড়ে চীনের দুটি যুদ্ধজাহাজ। এর ফলে, দুই দেশের মধ্যে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে। দুই দেশের তরফেই তীব্র কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে।
একাত্তর/এসি
