বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঠেকাতে যত টাকা দরকার

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:১৬ পিএম

শূন্য কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্বকে প্রতি বছর দুই দশমিক সাত ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হবে। তাহলেই শুধু বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি আটকানো সম্ভব। বৈশ্বিক গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উডম্যাকের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। 

জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নির্গত কার্বন-ডাই-অক্সাইড জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ। এই কাবর্ন নিঃসরণ শূণ্যে নামিয়ে আনতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের প্রয়োজন। 

উডম্যাক বলছে, নির্ধারিত সময় অর্থাৎ ২০৫০ সালের মধ্যে শূণ্য কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতি বছর কমপক্ষে দুই লাখ ৭০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে হবে। যা বাংলাদেশের ৪০টি বাজেটের সমান। তবেই কেবল বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি আটকানো সম্ভব হবে।

বিশ্বের অনেক দেশ এনিয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও, তারা লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হবে বলছে উডম্যাক। ফলে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার যে প্রতিশ্রুতি তাও ব্যর্থ হবে। 

জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, ২০৫০ সালে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা আড়াই ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে।

উডম্যাকের গবেষণা বলছে, বর্তমানে বৈশ্বিক জ্বালানি খাতকে কার্বনমুক্ত করতে প্রায় এক লাখ ৯০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করা হচ্ছে। তবে শূন্য কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষে এই পরিমাণ ১৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা লক্ষ্য নিয়ে। এ খাতে মোট বিনিয়োগের তিন চতুর্থাংশই করতে হবে শক্তি এবং অবকাঠামো খাতে। 

নবায়নযোগ্য জ্বালানি যেমন, সৌর শক্তিকে বিশ্বের প্রয়োজনীয় শক্তির অন্যতম উৎস হিসেবে ব্যবহারের প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে উডম্যাকের গবেষণায়। পাশাপাশি পরিবহন খাতকে বিদ্যুতায়িতকরণ, হাইড্রোজেন জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর প্রতিও জোর দিয়েছে সংস্থাটি।

একাত্তর/এসি
বিশ্বের তাপমাত্রা রেকর্ডের ইতিহাসে এবার উষ্ণতম এপ্রিল দেখলো বিশ্ব। একইসঙ্গে তাপমাত্রা রেকর্ড তালিকায় ২০২৪ সালের প্রতিটি মাস আগের বছরগুলোর একই মাসের তুলনায় গ্রহের সবচেয়ে উষ্ণতম হিসেবে রেকর্ড গড়েছে। 
সৌরজগতের বাইরে একটি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড শনাক্ত করেছে নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। ওই গ্রহের নাম ডব্লিউএএসপি-৩৯ বলে জানিয়েছে নাসা। এই গ্যাসীয় গ্রহটি ৭০০ আলোকবর্ষ দূরে একটি...
বৈশ্বিক তাপমাত্রা সীমিত করতে ব্যর্থ হওয়ার অর্থ মালদ্বীপের মতো দ্বীপরাষ্ট্রগুলোকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেয়া। তাদের জীবন-জীবিকা, সংস্কৃতি ধ্বংস করে ফেলা।বিজ্ঞানীদের এমন সতর্কতার পরও নির্বিকার...
মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সালাউদ্দিন গাজী নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, এ দেশে যারা বসবাস করেন তারা সবাই এবং সব ধর্মের...
ছয় দফা দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
দেশের সব ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে, নির্ভয়ে ও শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করছেন বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর