কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে প্রাক্তন ‘রাজবধূ’ সারাহ ফার্গুসনের ঘনিষ্ঠতার নতুন তথ্য সামনে আসার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় তার দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘সারাহ’স ট্রাস্ট’ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফাউন্ডেশনের একজন মুখপাত্র জানান, ট্রাস্টি বোর্ড ও চেয়ারম্যান সারাহ ফার্গুসন ‘দুঃখের সাথে’ সংস্থাটি নিকট ভবিষ্যতে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
গত সপ্তাহে মার্কিন বিচার বিভাগ প্রায় ৩০ লাখ নথি প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা গেছে, এপস্টাইন যখন অপ্রাপ্তবয়স্কের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের দায়ে কারাগারে ছিলেন, তখনও সারাহ তার সাথে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। যদিও এই নথিতে নাম থাকা কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়, তবুও রাজকীয় এই ব্যক্তিত্বের ভাবমূর্তি রক্ষায় এটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের বিষয়ে গত কয়েক মাস ধরেই আলোচনা চলছিল। তবে ঠিক কী কারণে হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটি মূলত মানবিক ও পরিবেশ সংকট এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করে আসছিল।
এপস্টাইন কেলেঙ্কারির সাথে নাম জড়ানোর পর থেকেই সারাহ ফার্গুসনের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। গত বছর থেকেই একে একে বিভিন্ন সংস্থা তাকে তাদের শুভেচ্ছাদূতের পদ থেকে সরিয়ে দিতে শুরু করে।
শিশুদের হাসপাতাল জুলিয়াস হাউজ সবার আগে সারাহর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে জানায় যে, তার পদে থাকা এখন ‘অসমীচীন’। এছাড়া টিনেজ ক্যান্সার ট্রাস্ট, চিলড্রেন’স লিটারেসি চ্যারিটি এবং প্রিভেন্ট ব্রেস্ট ক্যান্সারসহ আরও বেশ কটি বড় প্রতিষ্ঠান সারাহকে তাদের পৃষ্ঠপোষকের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক এই ইমেল ফাঁসের ঘটনায় রাজকীয় মহলে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে সারাহর এই দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ওপর।
শুল্ক কমালো ট্রাম্প প্রশাসন, স্বস্তিতে মোদীর ভারত