কঠোর বিধিনিষেধ শেষে লঞ্চ ও গণপরিবহন চলাচলের অনুমোদন পেয়েছে। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যাচ্ছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। চালকরা বলছেন মূলত কোরবানির পশুবাহী ট্রাকের চাপেই দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সকাল থেকেই ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দূরপাল্লার বাসসহ সব ধরনের গনপরিবহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
সকালে ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা যায় ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়ক জুড়ে প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি ।
দীর্ঘ সময় নদী পারের অপেক্ষায় থেকে যাত্রী ও যানবাহন চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদ ও গরমে পশুবাহী ট্রাকগুলোতে থাকা পশু ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
বিআইডব্লিউটিসির উপমহাব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখ জানান, এই রুটে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে। নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র স্রোত রয়েছে। এ ছাড়াও পশুবাহী ট্রাকের চাপের কারণে দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় যানবাহনের দীর্ঘ জট সৃষ্টি হয়েছে।
একাত্তর/এআর
