অবসরে যাওয়ার পর কী করবেন, এমন ভাবনায় ছিলেন সব ডাক পিয়ন। অবশেষে তাদের জন্য বন্ধু হয়ে পাশে দাঁড়ালো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’।
অবসরপ্রাপ্ত ডাক পিয়নদের উদ্যোক্তা হবার স্বপ্ন দেখাচ্ছে এই সংস্থা। উদ্যোক্তা হতে আবেদন করতে হবে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে। সেবাও দিতে হবে নিজ এলাকার কোন ডাকঘরে।
নাজিম উদ্দিন আহমেদ। ১৯৮৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারিতে ডাক পিয়নের চাকরি দিয়ে শুরু হয় তার কর্মজীবন। ৩৩ বছরের চাকরী জীবনে দুবার পেয়েছেন সেরা কর্মচারির পুরষ্কার।
অবসরে গেছেন ২০২০ সালে। তবে অবসরে গেলেও বাসায় তার ভালো লাগে না। সময় কাটাতে আসেন পুরনো কর্মস্থল জিপিওতে।
নাজিম আহমেদ জানালেন, উদ্যোক্তা বানাতে ‘নগদ’ থেকে যোগাযোগ করেছে তার সঙ্গে। এ নিয়ে ভীষণ উদ্দীপনা কাজ করছে তার মধ্যে। আশায় আছেন আবারো কাজে ফেরার।
নাজিম উদ্দীনের মতোই ডাক বিভাগ থেকে যারা অবসরে গেছেন, তাদের উদ্যোক্তা বানাতে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’।
নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, এমন উদ্যোগে অবসরপ্রাপ্তডাক পিয়ন যেমন বাড়তি আয়ের সুযোগ হবে, তেমনি মানুষের দিনবদলে ভূমিকা রাখবে নগদেরসেবা।
তিনি জানান, অবসরে যাওয়া ডাক পিয়নদের বাড়তি আয়ের সুযোগ দেয়ার পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষের জন্য তারা নিশ্চিত করতে পারবেন ‘নগদ’এর সাশ্রয়ী সব সেবা।
এই কার্যক্রমের আওতায় ‘নগদ’ শহরের পাশাপাশি গ্রামগঞ্জে অবস্থানরত অবসরে যাওয়া ডাক পিয়নদেরও সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।
এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারও। বলেছেন, এতে অবসরে গিয়েও অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন ডাক পিয়নরা।
মন্ত্রী বলেন, ডাক বিভাগের নেটওয়ার্কটি একক সংস্থা হিসেবে সরকারের সবচেয়ে বড় ও বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। দশ সহস্রাধিক লোক এখানে কাজ করে।
এই মানব সম্পদকে কেন্দ্র করে ‘নগদ’ জনগণের জন্য ডিজিটাল সেবায় আরও মনোযোগ দিবে। এমনকি অবসরপ্রাপ্তরা ভালো সময় কাটানো এবং বাড়তি আয়ের সুযোগও পাবে।
বর্তমানে ‘নগদ’ এর উদ্যোক্তা সংখ্যা দুই লাখ ৪২ হাজার। সারাদেশে ৯হাজার ৮৮৬টি ডাকঘরে কাজ করছেন প্রায় সমান সংখ্যক ডাক পিয়ন।
একাত্তর/টিএ
