ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় শহর চেরনিহিভের একটি থিয়েটারে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ছয় বছর বয়সী এক শিশুসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, শনিবার সকালের এ হামলায় ১৫ শিশুসহ আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৪৪ জন। আহতদের মধ্যে ২৫ জনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় শহরের একটি প্রধান চত্বর এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জাতিসংঘ এ হামলাকে "জঘন্য" বলে অভিহিত করেছে।
ইউক্রেনে জাতিসংঘের বর্তমান প্রধান ডেনিস ব্রাউন বলেছেন, সকালে একটি বড় শহরের প্রধান চত্বরে আক্রমণ চালানো একটি জঘন্য কাজ। এসময় সাধারণ নাগরিকরা রাস্তায় ছিলো, অনেকেই ধর্মীয় দিবস উদযাপন করতে গির্জায় যাচ্ছিল।
এটিকে 'সন্ত্রাসী হামলা' উল্লেখ করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের সেনারা পাল্টা জবাব দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ইউক্রেনের চেরনিহিভ শহরটি বেলারুশ সীমান্ত থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার (৩১ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত।
চেরনিহিভের ভারপ্রাপ্ত মেয়র ওলেক্সান্ডার লোমাকো বিবিসিকে জানান, থিয়েটারটিতে ড্রোন নির্মাতাদের একটি সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারছি থিয়েটারটি তাদের (রাশিয়ার) লক্ষ্যবস্তু ছিল। কারণ, সেখানে একটি সামরিক সমাবেশ চলছিল।

তিনি যোগ করেন, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এ হামলা যুদ্ধাপরাধের সমান। রাশিয়ার আরেকটি যুদ্ধাপরাধ ছাড়া এটিকে ব্যাখ্যা করার অন্য কোনো উপায় নেই।
তবে ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহোর ক্লাইমেনকো জানান, থিয়েটারের ভেতরে থাকা সকলেই সময় মতো নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল।
আরও পড়ুন: লাদাখে গাড়ি ছিটকে নদীতে, ৯ ভারতীয় সেনা নিহত
তিনি দাবি করেন, হামলার সময় বেসামরিক নাগরিকরা তাদের গাড়িতে ছিলো বা রাস্তা পার হচ্ছিলো। একজন গির্জা থেকে ফিরছিলেন।
হামলা এবং বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর ঘটনায় চেরনিহিভে তিন দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মস্কো এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।
একাত্তর/আরবিএস
