ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বারের মতো শপথ নিতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। আগামী শনিবার অর্থাৎ আট জুন অনুষ্ঠিত হবে তার শপথ। এরপরই তিনি ছুঁয়ে ফেলবেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড।
কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নরেন্দ্র মোদী তার শপথ নেয়ার তারিখ কেন আট জুন ঠিক করলেন? এ নিয়ে ইতোমধ্যেই নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। আট সংখ্যা নিয়ে বৈদিক জ্যোতিষে কী বলা হয়েছে? আটের পেছনে কোনো মাহাত্ম্য রয়েছে কি?
জ্যোতিষীরা মনে করছেন, আট নম্বরটি মোদীর জন্য শুভ সংখ্যা। আর এ কারণেই আবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার তারিখের জন্য এই সংখ্যাটি বেছে নিয়েছেন তিনি।
সংখ্যাতত্ববিদ রাহুল সিং ইন্ডিয়া টুডেকে বলেছেন, আট সংখ্যার আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। এই সংখ্যা শনি গ্রহকে বোঝায়। তাছাড়া আট নম্বরটি হল ন্যায়ের প্রতীক।
তিনি বলেন, আট সংখ্যা হলো আধ্যাত্মিক অনুশীলনের পাঁচ পন্থার অন্যতম রাজযোগের প্রতীক। যাদের জীবনে শনির প্রভাব বেশি থাকে, তাদের সাফল্য পেতে দেরি হয়। কিন্তু এই প্রভাব কাটাতে পারলেই প্রচুর সাফল্য পাওয়া যায়, সব শত্রুরা পরাজিত হয়।
তাহলে এই কারণেই কি নরেন্দ্র মোদী তার যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আট তারিখে নেন?

ইন্ডিয়া টুডে লিখেছে, মোদী নেতৃত্বাধীন প্রথম সরকারের আমলে নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল আট নভেম্বর রাত আটটায়। আবার তিনি 'ডিজিটাল ইন্ডিয়া' কর্মসূচি শুরু করেছিলেন ২০১৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর।
এখানে ২৬-কে ভাঙলে দুই আর ছয় সংখ্যা পাওয়া যায়, যার যোগফল আট। আবার ২০১৫-কে ভেঙে যোগ করলেও আট হয়। নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন ১৭ সেপ্টেম্বর। এখানেও এক আর সাতয়ের যোগফল আট।
জ্যোতিষী শৈলেন্দ্র পান্ডে ইন্ডিয়া টুডেকে বলেন, ভারতে আট সংখ্যাটার আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। প্রজাতন্ত্র দিবস ২৬ জানুয়ারি, অর্থাৎ দুই আর ছয়য়ের যোগফল আট। আর ২০২৪ সালকে ভেঙে যোগ করলেও দাঁড়ায় আট সংখ্যা।
সংখ্যাতত্ববিদ রাহুল সিং মনে করেন, এসব কারণেই হয়তো আট সংখ্যাটি প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের। শপথও গ্রহণ করছেন আট জুন। এতেই বোঝা যায়, আট নম্বরের প্রতি তাঁর দুর্বলতা।
আট সংখ্যাটি যারা পছন্দ করেন তারা কঠোর পরিশ্রমী হন বলেও মনে করেন এই সংখ্যাতত্ববিদ।
মোদীর ‘ঘর ভেঙে’ যেতে পারে যে সমীকরণে