যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অপরাধ ও গৃহহীন মানুষকে বিতাড়িত করতে, শহরটিতে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন পুলিশও কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
ওয়াশিংটনের ডেমোক্র্যাট মেয়র মুরিয়েল বাউসার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। আর, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে হোয়াইট হাউজের বাইরে।
এবার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির দিকে নজর দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। লক্ষ্য আইন-শৃঙ্খলা এবং জননিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। এই লক্ষ্য নিয়েই ওয়াশিংটনের অপরাধ দমনের জন্য ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্পের দেয়া তথ্য অনুসারে, ৭ লক্ষ বাসিন্দার ওয়াশিংটন শহরে ন্যাশনাল গার্ডের ৮০০ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে। তবে, প্রয়োজন পড়লে এই সংখ্যা বাড়ানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, রাজধানীকে অপরাধ, রক্তপাত, কলঙ্ক এবং অশান্তি এবং আরও খারাপ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করার জন্য একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ ঘোষণা করছি। ওয়াশিংটন অপরাধে জর্জরিত হয়ে পড়েছে। শহরটি গৃহহীন মানুষের চাপে বিপর্যস্ত। একই সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে অব্যবস্থাপনায় ধুঁকছে।
সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সক্রিয় ৮০০ ন্যাশনাল গার্ড সৈন্যের মধ্যে ১০০-২০০ জনকে যে কোনো সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা করার জন্য মোতায়েন করা হবে।
ট্রাম্প দাবি করেন, রাজধানী সহিংস গ্যাং ও অপরাধীদের কবলে পড়েছে। যদিও ওয়াশিংটনের মেয়র দাবি করেছেন, বর্তমানে সেখানে অপরাধ বৃদ্ধির কোনো রেকর্ড নেই।
শহরের মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুসারে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে খুনের ঘটনা ৩২% কমেছে এবং ২০১৯ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।
২০২১ সালের ৬ জানুয়ারিতে ক্যাপিটল হিলে দাঙ্গা-হাঙ্গামার পর থেকে ওয়াশিংটন ডিসিতে এখনও ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন হয়নি। তাই্ ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে হোয়াইট হাউসের বাইরে।
যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সংঘাতে আপাতত বিরতি!
বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মিকে জঙ্গি তকমা দিলো ওয়াশিংটন