প্রস্তাবিত বাজেটের ৫ দশমিক ৯ শতাংশ বরাদ্দ পেলো কৃষিখাত। ৪৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও, কমেছে খাতওয়ারি বরাদ্দ। বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতেও বরাদ্দ খুব একটা বাড়েনি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় কৃষি ও জলবায়ু খাতে আরও গুরুত্ব দেয়া দরকার ছিলো।
১৭ কোটি মানুষের খাবারের জোগান দেয় কৃষিখাত। দেশে এখনও গড়ে ওঠেনি টেকসই কৃষি ব্যবস্থা। সেই সাথে বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টির মতো দুর্যোগের কবলে পড়ছে দেশ। কিন্তু বাজেটে এই দুই খাতেই বরাদ্দ তেমন বাড়েনি।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে যখন হুমকির মুখে দেশের খাদ্য উৎপাদন তখন বাজেটে কৃষি খাতের জন্য কোন চমক নেই। সেচে বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ রেয়াত থাকছে। সার, বীজ, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণ আমদানিতে শুল্ক হার অপরিবর্তিত থাকছে। মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ, ভূমি মন্ত্রণালয়সহ কৃষিতে বরাদ্দ ৪৭ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও খাতওয়ারী বরাদ্দ কমেছে দশমিক ৩৩ শতাংশ।
জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক খাদ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় এই খাত গুরুত্ব পাবার দাবি রাখে, বলে মনে করেন কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম।
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার যখন শেষ নেই তখন বাজেটে এই খাতেও বরাদ্দ তেমন বাড়েনি। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতে বরাদ্দ ২ হাজার ১৩১ কোটি টাকা। এরমধ্যে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ১ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা আর পরিচালন খাতে ৭২৮ কোটি টাকা।
পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এম জাকির হোসেন খান বলছেন, বাজেটে বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতে নজর না দিলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়।
পরিবেশবিদ শরীফ জামিলের মতে, সবকিছুর উপরে এই বরাদ্দ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
ঋণের সুদের পেছনে ব্যয় এক লাখ কোটি টাকা ছাড়াচ্ছে