ডেঙ্গু নির্ণয়ের কিট আমদানির ওপর কর রেয়াত সুবিধা দেয়ার পাশাপাশি কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ডায়ালাইসিস ফিল্টার ও ডায়ালাইসিস সার্কিটের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন বাজেটে।
তবে হাসপাতালে ব্যবহৃত চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও উপকরণ আমদানির শুল্ক ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ বাড়বে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
নতুন অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ৪১ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরে যা ছিলো ৩৮ হাজার ৫১ কোটি টাকা। সে হিসাবে আগামী অর্থবছরে বাজেটে স্বাস্থ্যের বরাদ্দ বাড়ছে তিন হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা।
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা শনাক্তের জন্য এনএস-ওয়ান এবং আইজিএমআইজিজি কিট দিয়ে পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।
এ অবস্থায় ডেঙ্গু কিটের আমদানির ওপর রেয়াতি সুবিধা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি প্রতিবছরই আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌছে যাচ্ছে। ডেঙ্গু কিট আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রদানের জন্য ইতিপূর্বে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল যা ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে বাতিল হয়ে যায়। ফলে উক্ত প্রজ্ঞাপনের আওতায় অব্যাহতি সুবিধায় ডেঙ্গু কিট আমদানি করা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, তাই ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেটে রেয়াতি সুবিধায় ডেঙ্গু কিট আমদানির লক্ষ্যে একটি নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করার প্রস্তাব করছি।
অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, ওষুধ, চিকিৎসাসামগ্রী ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া বাজেটে ওষুধের কাঁচামাল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের (এপিআই) কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধায় নতুন কাঁচামাল সংযোজন এবং চিকিৎসা খাতে বায়ো-হাইজিনিক ইকুইপমেন্ট উৎপাদনে রেয়াতি নতুন পণ্য সংযোজনের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।
বেসরকারি হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী সংসদে বলেন, রেফারেল হাসপাতাল কর্তৃক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও উপকরণ আমদানি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ১ শতাংশ এর পরিবর্তে ১০ শতাংশ ধার্য করার প্রস্তাব করছি।
অবশেষে শুল্ক বসছে এমপিদের গাড়ি আমদানিতে
কালো টাকা সাদা করার ঢালাও সুযোগ