ফিলিপাইনের একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরিতে বিধ্বস্ত একটি ছোট উড়োজাহাজের চার আরোহীর মরদেহ উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। উড়োজাহাজটি গত সপ্তাহে মেয়ন আগ্নেয়গিরিতে বিধ্বস্ত হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুই ফিলিপিনো পাইলট এবং দুই অস্ট্রেলিয়ান যাত্রীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) অনুসন্ধানকারী দলগুলো মেয়ন আগ্নেয়গিরির ঢালে মরদেহের খোঁজে অভিযান চালাচ্ছিল। উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষটি আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ থেকে প্রায় ৯৮৫ ফুট দূরে দেখা গিয়েছিল৷
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দলগুলো নিরাপদে মৃতদেহ উদ্ধারের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছে।
স্থানীয় ফিলিপিনো কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা বিমানটি বিধ্বস্তের কারণ অনুসন্ধান করবে।
সেসনা ৩৪ বিমানটি শনিবার একটি স্থানীয় বিমানবন্দর থেকে ম্যানিলার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই মেয়ন থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে নিখোঁজ হয়। এটি ফিলিপাইনের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি যা থেকে ২০১৮ সালে শেষবার অগ্নুৎপাত হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার রাজ্যের আগ্নেয়গিরি বিশেষজ্ঞদের দৈনিক পর্যবেক্ষণ অনুসারে, মেয়নের জ্বালামুখ থেকে বিস্ফোরণ এবং শিলাধসের ঝুঁকি রয়েছে।
তাদের বুলেটিন অনুসারে, ভারী বৃষ্টি মেয়নের ঢাল থেকে ধ্বংসাবশেষও ধুয়ে ফেলতে পারে। নিখুঁত শঙ্কু আকৃতির জন্য পরিচিত আগ্নেয়গিরিটি ২০২০ সালের পর সামান্য স্ফীত হয়েছে, বিজ্ঞানীরা বলেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার সরকার বৃহস্পতিবার তাদের দুই নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিহত সাইমন চিপারফিল্ড এবং কার্থি সানথানাম ফিলিপিনো পাওয়ার কোম্পানি এনার্জি কর্পোরেশনের পরামর্শক হিসাবে কাজ করতেন।
আরও পড়ুন: সাধারণ পরিষদে রুশ আগ্রাসনের নিন্দা জাতিসংঘ প্রধানের
সংস্থাটি উড়োজাহাজটির পাইলটদেরও শনাক্ত করেছে। তারা হলেন রুফিনো জেমস ক্রিসোস্টোমো জুনিয়র এবং জোয়েল মার্টিন।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
একাত্তর/এসজে
