ঈদে যারা রাজধানী ছাড়ছেন তারা বুধবার করেছেন শেষ মূহুর্তের কেনাকাটা। তাই এদিন সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিলো পাঞ্জাবি আর জুতার দোকানগুলোতে।
তবে ব্যবসায়িরা বলছেন, গরমের কারণে দিনের বেলায় ক্রেতার উপস্থিতি কমেছে। তারপরও যা বিকিকিনি হয়েছে তাতে গেলো দু’বছরের ক্ষতি পোষানো গেছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
ঈদের নামাজে নতুন পাঞ্জাবি-পায়জামা-টুপি যেনো বাড়তি আনন্দের যোগান দেয়। আর কিছু না হোক সুন্দর একটা পাঞ্জাবি সবারই চাই। তাই নিউমার্কেট সায়েন্স ল্যাব, এলিফেন্ট রোডের পাঞ্জাবির দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।
যারা রাজধানী ছাড়বেন বুধবার শপিং মলগুলোতে তাদের উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে জুতার দোকানে। জামা কাপড়ের সাথে মানানসই জুতা খুজে নিতে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরছেন ক্রেতারা।
পাঞ্জাবি বা জুতার দোকানে যতোটা ভিড় ছিলো, প্যান্ট শার্ট গেঞ্জির দোকানগুলোতে তেমনটা ছিল না। দুঃসহ গরম বেচাবিক্রিতে প্রভাব ফেলছে বলে মত ব্যবসায়ীদের।
তবে জনপ্রিয় মার্কেটের বাইরে পাড়া মহল্লায় গড়ে ওঠা ব্রান্ডের দোকানগুলোতে ছিলো ভিন্ন চিত্র। যেমন মোহাম্মদপুরের আদাবরে সারার বড় এই প্যাভিলিয়নে ছিলো ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।
ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের মাঝামাঝিতেই তারা সবচেয়ে বেশি বিক্রি করেছেন। তবে ঢাকায় যারা ঈদ করবেন তারা বাড়তি ভিড় এড়াতে, শেষ সময়ে কেনাকাটা করবেন এমন আশাই করছেন ব্যবসায়ীরা।
একাত্তর/এআর
