বহুদিন বাদে রাজধানীর অলিগলির বাতি জ্বলতে দেখা যাচ্ছে না সন্ধ্যার পর।
মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দুপুর দুইটা থেকে সারাদেশে গ্রিড বিপর্যয় হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
যদিও জাতীয় গ্রিড বিপর্যয়ের মধ্যে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহবান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
মঙ্গলবার বিকেলে বিদ্যুৎ বিভাগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত একটি বার্তায় বলা হয়, আকস্মিকভাবে আজ দুপুর ২টা ৪ মিনিটে জাতীয় গ্রিডের ইস্টার্ন অংশে (ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ) সমস্যা দেখা দেওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বিদ্যুৎ বিভ্রাট চলছে।
অন্ধকারে যান চলাচলে বিঘ্নতা সৃষ্টি হয়েছে। গাড়ি চলছে ধীরগতি। সড়কে সড়কে চোখে পড়ছে যানজট। অফিস শেষে বাড়ি ফিরতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন কর্মজীবী মানুষেরা।
আট বছর পর এ ধরণের অভিজ্ঞতা নিতে হচ্ছে নগরবাসীকে। এর আগে ২০১৪ সালে জাতীয় গ্ৰিড বিপর্যয়ে অন্ধকার নিমজ্জিত হয়েছিলো দেশ।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, জাতীয় গ্রিড ট্রিপ করার কারণে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ পূর্বাঞ্চলের বড় একটি এলাকায় আজ দুপুর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। আকস্মিক এই সমস্যা সমাধানে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সবার সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ধৈর্য্য ধারণের অনুরোধ করেছেন নসরুল হামিদ। তিনি জানিয়েছেন ধীরে ধীরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরে আসছে।
একাত্তর/এআর
