রাশিয়ার অভ্যন্তরে সমর্থক এবং সহানুভূতিশীলদের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইউক্রেন, যারা সেখানে নাশকতা চালাতে কাজ করছে এবং ড্রোন হামলা চালাতে জেলেনস্কি প্রশাসন তাদের সহযোগিতা করছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা বাহিনী সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি।
সোমবার সংবামাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দাদের সাথে পরিচিত একাধিক ব্যক্তি সিএনএনকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে, রাশিয়ার অভ্যন্তরে মে মাসের প্রথম দিকে ক্রেমলিনকে লক্ষ্য করে ইউক্রেনপন্থী এজেন্টরা একটি ড্রোন হামলা চালিয়েছিল।
তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে রাশিয়ার অভ্যন্তরে চালানো অন্যান্য ড্রোন হামলাগুলো ইউক্রেনপন্থী এজেন্টরা চালিয়েছেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।

রাশিয়ার অভ্যন্তরে ড্রোন হামলা
মার্কিন কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে, ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে নাশকতা সেল গড়ে তুলেছে। যা প্রশিক্ষিত ইউক্রেনপন্থী সহানুভূতিশীল এবং সমর্থকদের মিশ্রণে গড়ে উঠেছে। এসব গ্রুপের কাছে ইউক্রেনের তৈরি ড্রোন সরবরাহ করেছে জেলেনস্কি প্রশাসন।
দুই মার্কিন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ায় অভ্যন্তরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ নেই।

মে মাস মস্কোর একটি ভবনে চালানো ড্রোন হামলা
আরও পড়ুন: সহসাই মুক্তি মিলছে না অসহনীয় তাপদাহ থেকে
কীভাবে এসব ড্রোন রাশিয়াতে পাঠানো হলো সে বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা চূড়ান্তভাবে কিছু জানাতে পারেননি। তবে দু'টি সূত্র সিএনএনকে বলেছে যে, রাশিয়াতে গোপনে ড্রোন সরবরাহের জন্য ইউক্রেন একটি সীমান্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
এক জন ইউরোপীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্ত বিশাল এবং নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন। এসব সীমান্ত চোরাচালানের জন্য উপযুক্ত।
এ বিষয়ে ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা পরিষেবার প্রধানের এক মুখপাত্র সিএনএনকে বলেন, রাশিয়ার অভ্যন্তরে রহস্যময় বিস্ফোরণ এবং ড্রোন হামলা অব্যাহত থাকবে।
একাত্তর/আরবিএস
