নতুন বৈশ্বিক বাজার ব্যবস্থা মোকাবিলায় কৌশলগত সহযোদ্ধা পেতে, দীর্ঘ সাত বছর পর চীন সফরে গেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জাপানে দুই দিনের সফর শেষ করে চীনের উদ্দেশ্যে রওনায় দেন তিনি। শনিবার (৩০ আগস্ট) দেশটির বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়।
চীন আয়োজিত শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সন্ধ্যায় চীনের তিয়ানজিন শহরে পৌঁছেছেন। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০টিরও বেশি দেশের নেতাদের অংশগ্রহণের একদিন আগেই তিয়ানজিনে পৌঁছেছেন। সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলন রোব ও সোমবার অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বেইজিংয়ে এক বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজের কয়েক দিন আগে এই সম্মেলন শুরু হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার কিম জং উন প্রায় ২৬ জন বিশ্বনেতার মধ্যে কুচকাওয়াজে যোগ দিবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
২০১৮ সালের পর মোদীর এই প্রথম চীন সফর। এর আগে জাপান সফর করেন তিনি। সেখানে ৬৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। জাপান সফরে মোদী বলেছেন, চীন-ভারতের সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দু’দেশের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক এই অঞ্চলের সমৃদ্ধিতে প্রভাব রাখবে।

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দু’টি দেশ চীন এবং ভারত, দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে প্রভাব বিস্তারের জন্য তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী এবং ২০২০ সালে একটি মারাত্মক সীমান্ত সংঘর্ষের মুখোমুখি হয়েছিল। গত অক্টোবরে রাশিয়ায় একটি শীর্ষ সম্মেলনে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে মোদীর সাক্ষাতের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু হয়েছিল।
এসসিওতে চীন, ভারত, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান এবং বেলারুশ অন্তর্ভুক্ত। আরো ১৬টি দেশ পর্যবেক্ষক বা ‘সংলাপ অংশীদার’ হিসেবে যুক্ত। শনিবার থেকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত এবং মিশরের প্রধানমন্ত্রী মুস্তফা মাদবোলিসহ নেতাদের স্বাগত জানাতে শুরু করেছেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনেরও শীর্ষ সম্মেলনের আগে তিয়ানজিনে আসার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা- এএফপি।
যে কারণে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে না ভারত