সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহবান জানিয়েছে ইরান। একইসাথে সিরিয়ায় নিজেদের স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা সন্ত্রাসীদের পুনর্গঠিত করছে বলেও অভিযোগ করেছে তেহরান ও দামেস্ক।
দামেস্ক সফররত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দুল্লাহিয়ান বুধবার সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল মেকদাদের সাথে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেন। খবর প্রেস টিভির।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা মার্কিন কর্মকর্তাদের ও দেশটির সামরিক বাহিনীকে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার উপদেশ দিচ্ছি। একইসাথে ওই অঞ্চলের দায়িত্বভার সেখানকার মানুষের তুলে দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মেকদাদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আমরা সিরিয়ায় সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া এবং এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেয়ার মার্কিন প্রচেষ্টার বিষয়ে কথা বলেছি।
সিরিয়া এবং এই অঞ্চলের নিরাপত্তা আমাদের জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিরিয়া আমাদের অঞ্চলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেশ যেটিকে কোনো পক্ষই উপেক্ষা করতে পারে না।
এ বিষয়ে মেকদাদ বলেন, ইরান ও সিরিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোর আগ্রাসী নীতি, বিশেষ করে তাদের রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টার উপায় হিসেবে সন্ত্রাসবাদে তাদের বিনিয়োগ অব্যাহত রয়েছে।
প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সরকার ২০১৪ সাল থেকে জাতিংঘের অনুমোদন এবং সিরিয়া সরকারের অনুমতি ছাড়াই সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের অজুহাতে দেশটিতে সেনা মোতায়েন করে।
২০১৭ সালে ইরান ও রাশিয়ার সহযোগিতায় সিরিয়া সরকার দেশটিতে তৎপর উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসকে নির্মূল করতে সক্ষম হয়। এ অবস্থায় মার্কিন সেনাদের সিরিয়ায় অবস্থানের কোনো অজুহাত অবশিষ্ট নেই বলে মনে করে ইরান। সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন সেনারা জঙ্গী গোষ্ঠীগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা দিতে শুরু করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় পারমাণবিক হামলার মহড়া চালালো উত্তর